ফুটপাত দখলমুক্তে বদলে গেছে রাজাঝির দীঘির পাড়ের দৃশ্যপট

ফেনী শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাংক রোডের রাজাঝির দীঘির পাড়ের চিরচেনা দৃশ্যপট বদলে গেছে। জেলা প্রশাসনের ঘোষনা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে হকার উচ্ছেদ করায় ফুটপাতের চেনা চিত্র আর নেই।

গতকাল শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, নেই অন্যদিনের মধ্যে তো কোলাহল। জমজমাট বেচাকেনাও নেই। দীর্ঘদিন অবৈধ দখলদারদের দখলে থাকায় পথচারী চলাচলে বিড়ম্বনার শিকার হন। ফেনী সরকারি কলেজ, সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অস্বস্তিতে পথ চলতে হয়।

ফেনী শহরের রাজাঝির দীঘি ও বিজয়সিংহ দীঘির সৌন্দর্যবর্ধনে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় অর্থ বরাদ্ধ দেয়। এর অংশ হিসেবে রাজাঝির দীঘিতে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। একাধিকবার অভিযান চালিয়ে দীঘিরপাড় হকারমুক্ত করা হয়। কিন্তু বেশিদিন তা টিকেনি। গত ৫ দিন আগে ১০ মার্চ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় দীঘির সৌন্দর্যবর্ধনে দীঘির পাড় দখলমুক্ত করার ঘোষনা দেন স্বয়ং জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুজজামান।

ফেনী অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মহিপাল সরকারি কলেজের সহযোগি অধ্যাপক আজিজুর রহমান ফেনীর সময় কে জানান, প্রতিটি শহরেই হাঁটা-চলার পরিবেশ রয়েছে। এই শহরেও এরকম একটি স্পট রাজাঝির দীঘি। এটির হাজার বছরের ঐতিহ্য রয়েছে। এখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে শহরের বাসিন্দারা নির্মল পরিবেশে সময় কাটাতে পারবেন।

তিনি আরো বলেন, সববয়সী মানুষের নির্বিঘেœ চলাফেরা নিশ্চিত করতে আলোকসজ্জা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত জরুরী। তাহলে নন্দিত এ দীঘির পাড়ে দূরদূরান্তের ভ্রমণপিয়াসুরাও ছুটে আসবে। এতে করে ফেনীর সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। পাশাপাশি হকারদের পূর্নবাসনের উদ্যোগ নিতে হবে।

ফেনী পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান খোকন হাজারী ফেনীর সময় কে জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী ও জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তক্রমে রাজাঝির দীঘিরপাড় হকারমুক্ত হয়েছে। এখানে দীর্ঘদিন ব্যবসা-বানিজ্য করে ২শতাধিক ব্যবসায়ী পরিবার-পরিজন চালাতো। এজন্য তাদের পুর্নবাসন করতে সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী ও জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুজজামানের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।

বিদেশের মাটিতে মসজিদগুলো কেমন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুজার আগে আমাদের দেশের মসজিদগুলো কেমন বা এদের ইফেক্ট সোসাইটিতে কেমন তা জানা দরকার| ৫ ওয়াক্ত নামাজ, জুম্মার নামাজ, রামাদানে তারাবি, ঈদ জামাত ইত্যাদি

– এই হল ম্যাক্সিমাম মসজিদ এর হালচাল,(কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) | এখন আসুন বিদেশের মাটিতে মসজিদের চিত্র: প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো, বিদেশের মাটিতে বলতে আমি শুধু নন-মুসলিম দেশগুলোর কথা বুজাচ্ছি, বিশেষ করে : উন্নত দেশগুলি: ইউকে, ইউএসএ , অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা বা ইউরোপের দেশগুলো ….

স্পেসিফিক্যালি: ইউকের মসজিদ গুলোর (বেশিরভাগ) এক্টিভিটিস আমাদের দেশের মসজিদগুলো থেকে সুম্পূর্ণ ভিন্ন| ভিন্নতার প্রথম কারণ হচ্ছে : মুসলিমরা এখানে মাইনোরিটি – এইসব দেশগুলো যদিও ধর্মীয় দিকথেকে খ্রিস্টান, তাদের কালচারের দিকথেকে এখন অনেকটা অর্ধ-উলঙ্গ জাতি|

তাই স্বভাবতই মুসলমান যারা এইসব দেশে বাস করে তাদের নিজেদের ও সন্তানদের ধর্ম, কালচার, দ্বীন শিক্ষা, সর্বোপরি মুসলিম ভ্রাতৃত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য অন্যতম (বা বলা যায় একমাত্র) আশ্রয় স্থান হল মসজিদ|

তাই মুসলিমদের যারাই দ্বীন নিয়ে সচেতন তাদের কে আপনি দেখবেন মসজিদের কাছাকাছি কোথাও থাকে এবং মসজিদ একটিভিটিতে খুব বেশিই যুক্ত থাকে| এখানে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার যে: এখানকার প্রতিটি কমিউনিটিতে বিশ্বের অনেক দেশের মুসলিমরা একসাথে বসবাস করেন: যেমন আমি আগে যেখানে ছিলাম (বেলফাস্ট-এ ) সেখানে বিশ্বের ৪২ টি দেশের মুসলিমরা ছিল আমাদের মসজিদ ভিত্তিক কমিউনিটি তে|

সুবহানআল্লাহ এমন কমিউনিটি তে থাকলে যা হয় তা হল: আপনি মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ কি তা বুজতে পারবেন (কারণ কমিউনিটির মানুষদের মাঝে এত্ত ভিন্নতা: দেশ, ভাষা, কালার, এডুকেশন, আর্থিক সামর্থের ভিন্নতা, দ্বীন এর মাজহাব/নন-মাজহাব এর ভিন্নতা, ইত্যাদি ইত্যাদি, এর পরেও শুধুমাত্র আমরা সবাই “মুসলিম” এই জন্যই সবাই এক এবং একই কমুনিটির সদস্য, যা দেশে আমি এমন দেখিনি বা খুব ভালো বুজতেও পারিনি)| এখন আসুন জেনে নিই মসজিদ একটিভিটিতে কি থাকে? উত্তর: অনেক কিছু, বলতে পারেন এখানকার মসজিদগুলো একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, একেকটা কমিউনিটির কেন্দ্রস্থল, এগুলো মোর দেন এ মসজিদ| এদের কিছু হাইলাইটেড একটিভিটি:

১) ৫ ওয়াক্ত নামাজ, জুম্মা, রামাদান, ঈদ প্রোগ্র্যাম
২) বাচ্চাদের ও বড়দের কুরআন শিক্ষা
৩) নন-মুসলিমদের জন্য দাওয়াতী প্রোগ্র্যাম (মস্ক ওপেন ডে, স্কুলের বাচ্ছারা মসজিদ এ ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানার জন্য ভিজিট করা, অথবা বাহিরে দাওয়া একটিভিটি, ইত্যাদি )
৪) দ্বীন শিক্ষা (ছোট, বড় সবার জন্য )
৫) বিশ্বের নির্যাতিত মানবতার জন্য চ্যারিটি একটিভিটিস (যেমন: রোহিঙ্গা, সিরিয়া, ফেলেস্তিন, ইত্যাদি )
৬) খেলাধুলা একটিভিটিস (বাচ্ছাদের ও বড়দের জন্য)
৬) কমিউনিটি গ্যাদারিং ও পিকনিক: মূলত কমিউনিটি রিলেসন বিল্ডাপ করার জন্য
৭) পাবলিক রিলেসন একটিভিটিস: ধরুন কোনো কমন গুড গ্রাউন্ড- এ নন-মুসলিমদের সাথে এক হয়ে বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করা
৮) মহিলাদের জন্য মসজিদে ব্যবস্থা থাকা (নামাজ, দ্বীন শিক্ষা, ইত্যাদি)
এ ছাড়াও আরো বিভিন্ন একটিভিটিস (প্রয়োনজোন অনুযায়ী)

এখন একবার চিন্তা করুন এমন একটি ভ্রাতৃত্ববোধের কমুনিটির মসজিদের কোনো উগ্র টেররিস্ট হামলা করে ৪৯ জনকে মেরে ফেলো , তাহলে ওই কমিনিটির মেম্বারদের মানসিকভাবে কেমন চাপ নিতে হবে? বা আমরা যারা বাহিরে আছি সিমিলার কমিউনিটিতে তাদেরইবা কেমন লাগবে ? বা আমাদের মুসলিম ভাই-বোনরা যারা মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে চিন্তা করে, তাদেরইবা কেমন লাগবে? ……আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার কাছে এই ফরিয়াদ যেন আমাদের ভাই-বোনেরা যারা নিউজিল্যান্ডে মারা গেছেন তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করেন| আমীন।।।।।

লিখক-jahedul islam chowdore

আসলে গোটা বিশ্ব যেকোন অপরাধের মধ্যে মুসলিম নাম খুঁজে বেড়াই,

আতঙ্কবাদের কোন ধর্ম হই না _________________________
নিউজিল্যান্ডে মুসল্লিদের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কিন্ত হামলাকারী কে মিডিয়া বন্দুকবাজ নামকরণ করছে ঐ হামলাকারীর নাম যদি সৈয়দ, শেখ, আলি হতো এতক্ষণে মিডিয়া আইএসআই, তালিবান, জৈয়শ আতঙ্কবাদ তকমা দিয়ে বলতো বড়ো ধরনের নাশকতার ছক ছিল। কিন্ত হামলাকারী শ্বেতাঙ্গ খ্রিস্টান তাই বন্দুকবাজ বলে ঘটনাটিকে ছোট করে দেওয়া হলো।

আসলে গোটা বিশ্ব যেকোন অপরাধের মধ্যে মুসলিম নাম খুঁজে বেড়াই, কীভাবে মুসলিম বিশ্ব কে কলঙ্কিত করা যায় দিনরাত এই চিন্তা করে মিডিয়া থেকে ফ্যাসিস্ট শাসকরা।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে সন্ত্রাসী হামলাকারি লাইভ ভিডিও করে, এর মধ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে। এতে দেখা গেছে, ভিডিও গেমের মতো একজন বন্দুকধারী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করছে।

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে মসজিদে জুম্মার নামাজ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে একজন বন্দুকধারী সিজদায় থাকা মুসল্লিদের ওপর গুলি ছোড়ে। হামলার ভিডিও দেখে ধারণা করা যাচ্ছে, বন্দুকধারী হামলার আগে পুরো ঘটনাটি ভিডিও করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। হয়তো তাঁর মাথায় ভিডিও ক্যামেরা বসানো ছিল।

ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলাকারী স্বয়ংক্রিয় বন্দুক নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে মসজিদের দিকে যাচ্ছেন। মসজিদের প্রবেশ কক্ষ থেকেই মুসল্লিদের ওপর নির্বিচারে বৃষ্টির মতো গুলি করা শুরু করেন। মসজিদের ভেতর ছুটোছুটিরত মুসল্লিদের প্রতি টানা গুলি করতে থাকেন। এরপর মসজিদের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে ঘুরে গুলি করতে থাকেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যাঁরা মসজিদের মেঝেতে পড়েছিলেন, তাঁদের দিকে ফিরে ফিরে গুলি করছিলেন তিনি।

এক্সপ্রেস নামের একটি স্থানীয় গণমাধ্যমের অনলাইনে বলা হয়েছে, হামলাকারীকে শনাক্ত করা গেছে। ২৮ বছর বয়সী একজন শ্বেতাঙ্গ। তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছেন। দুই বছর ধরে তিনি এ হামলার পরিকল্পনা করছেন। হামলাকারী জানিয়েছেন, ইউরোপের দেশগুলোতে বিদেশি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে তিনি এ হামলার পরিকল্পনা করেন।

আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি যে কোন নাশকতাতে আতঙ্কবাদিদের আতঙ্কবাদ বলে সনাক্ত করে কঠিন শাস্তি দেওয়া হউক কোন ধর্মের উল্লেখ না করা হয় মিডিয়ার কাছে অনুরোধ করছি। কারণ আতঙ্কবাদের কোন ধর্ম হই না।

প্রিয়_শহর_ফেনী

প্রিয়_শহর_ফেনী
যারা ফেনী আর নোয়াখালীকে এক করে ফেলেন
তারা একটু চোখ বুলিয়ে নিন::::::::::::::
১। ফেনী শহরের আয়তন ৪৫ বর্গকিলোমিটার আর নোয়াখালী শহরের আয়তন(মাইজদী) ১২.৬১ বর্গকিলোমিটার।

২। ফেনী শহরে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ মানুষের বসবাস আর নোয়াখালী শহরে প্রায় ৭৬ হাজার মানুষের বসবাস।
৩। নোয়াখালী পৌরসভার ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বাজেট ৭৩ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৯৪৬ টাকা আর
ফেনী পৌরসভার ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বাজেট ১০৮ কোটি ৫৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা,এবং ২০১৫-২০১৬ অর্থববছরের বাজেট ১শ ৯২ কোটি ১৫লক্ষ টাকা(সিটি কর্পোরেশনের বাজেটের সমান)।
৪। ফেনী পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ড আর নোয়াখালী পৌরসভার মাত্র ৯ টি ওয়ার্ড।

৫। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে সারা বাংলাদেশর মধ্যে ফেনীর অবস্থান ২য় আর নোয়াখালীর অবস্থান ফেনীর চেয়ে অনেক পিছনে।
৬। ফেনী পৌরসভার ১১,১২,১৩,১৪,১৫,১৬,১৭,১৮ নং ওয়ার্ডের সাথে সংযোগ ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের এবং ২,৩,৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সাথে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের সংযোগ, মহাসড়ক এবং রেললাইন এই দুইটার কোনটাই নেই নোয়াখালীতে যার কারণে সারাদেশের সাথে ফেনীর যোগাযোগ ব্যাবস্থা নোয়াখালীর থেকে শতগুণ ভালো।
৭। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৬ লাইনের ফ্লাইওভার হচ্ছে ফেনী শহরের মহিপালে।

ফেনী এমন একটি শহর যেখানে বর্তমানে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানুষ বসবাস করে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কাজের সন্ধানে অনেক মানুষ পাড়ি জমায় এই জেলা শহরে।
বিঃদ্রঃ ফেনীর সাথে যদি তুলনা করতে হয় তাহলে নোয়াখালীর সাথে নয় সিটি কর্পোরেশন এবং বিভাগীয় শহরের সাথে তুলনা করবেন।

সংগৃহীত।

প্রথম ভিক্ষুক মুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা হতে যাচ্ছে ফেনী ফাজিলপুর ইউনিয়ন

ফেনীর ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক রিপনের উদ্যোগে প্রথম ভিক্ষুক মুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা হতে যাচ্ছে ফাজিলপুর ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়ন মিলনায়তনে প্রায় ২০ জন ভিক্ষুকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মজিবুল হক রিপন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেইলী সানের ফেনী প্রতিনিধি প্রভাষক আবদুল্লাহ আল-মামুন, দৈনিক আমাদের নতুন সময়’র ফেনী প্রতিনিধি এম. এমরান পাটোয়ারী, ইউপি সচিব জামাল উদ্দিন, ওয়ার্ড মেম্বার গোলাম মাওলা, বেলায়েত হোসেন, সংরক্ষিত নারী সদস্য তাহমিনা আক্তার, স্বপ্না রানী মজুমদার, কামরুজ জাহান।

সভায় জানানো হয়- পুরো ইউনিয়নে ওয়ার্ড মেম্বারের মাধ্যমে ভিক্ষুক জরিপ করা হয়। জরিপে প্রায় ২০ জন ভিক্ষুকের নাম উঠে আসে। আর শতভাগ ভিক্ষুক মুক্ত ইউনিয়ন করার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক রিপন। ভিক্ষুকদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন তিনি। কাকে কিভাবে পূর্নবাসন করা যায় তার তালিকা তৈরি করা হয়। প্রথমে চিহ্নিত ভিক্ষুকদের মাসে ৩০ কেজি করে ভিজিডি চালের ব্যবস্থা করেন। যে যেসব কাজে দক্ষ তাকে সে হিসেবে পুনবার্সনের রুপ রেখা তৈরি করা হয়।

এজন্য ভিক্ষুকদের রিক্্রা প্রদান, গরু পালন, বাঁশ ও বেতের কাজ, হাস-মুরগী পালন, কাপড় ব্যবসা, শুটকি ব্যবসা, মুদি দোকান, পাটি বুনন, ফেরি ব্যবসা ইত্যাদি দক্ষতা হিসেবে পূজি ও সরঞ্জাম প্রদান করা হবে। এজন্য যত অর্থের প্রয়োজন হবে ইউপি চেয়ারম্যান নিজস্ব তহবিল থেকে তা সরবরাহ করবেন। দুই বছর যাবত তাদের কর্মকান্ড মনিটরিং করা হবে। আগামী ২০ মার্চ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইউনিয়নকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান। ওইদিন থেকে পুরো ইউনিয়নে ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ করা হবে।

ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিয়নের জনগণ। তাদের দাবি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিয়মিত দেখভাল করা হলে পূর্নবাসনের উদ্দেশ্য পুরোপুরি সফল হবে। এতে সমাজ ভিক্ষাবৃত্তির নেতিবাচক দিক থেকে মুক্তি পাবে।

ছোট্ট বাচ্চাটির নাম জিজ্ঞাসা করলে বলে শুক্কুর। বাবার নাম বলতে পারেনা। মার নাম বলে বিথী।

ছোট্ট বাচ্চাটির নাম জিজ্ঞাসা করলে বলে শুক্কুর। বাবার নাম বলতে পারেনা। মার নাম বলে বিথী।

গ্রামের নাম জিজ্ঞাসা করলে বলে নিলক্ষী। আর কিছু বলতে পারেনা। ছোট এই ফেরেশতাটিকে আজ সায়েদাবাদ টার্মিনালে পাওয়া যায়।

বাচ্চাটি বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানায় আছে। তার পরিচয় সম্পর্কে কেউ কোন তথ্য জানতে পারলে যাত্রাবাড়ী থানাকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হইল। প্রয়োজনে ঃ 02-7546244, 01713373146,01758350518

দাজ্জাল আসার পূর্বে অন‌েক আলামত হাদীসে বর্ণিত আছে :

দাজ্জাল আসার পূর্বে অন‌েক আলামত হাদীসে বর্ণিত আছে :~~~

এর কয়েকটি মিলিয়ে দেখুন–

* মানুষের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি হবে (বুখারী),
* মানুষ চুলে কলপ ব্যবহার করবে (আবু দাউদ),
* ঘন ঘন ভূমিকম্প হবে (বুখারী),
* (বিনা বিচারে) হত্যাকান্ড বেড়ে যাবে (বুখারী ও মুসলিম),
* ঘন ঘন বাজার বসবে ও মহিলারা সেখানে অবাধ‌ে ব‌িচরণ করব‌ে, (বুখারী,মুসলিম ও মিশকাত),
* (পুরুষের তুলনায়) মহিলাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে (বুখারী ও মুসলিম),

* এছাড়াও আরো রয়েছে~~~

-ঘন ঘন বজ্রপাত হবে। বিভিন্ন এলাকার মানুষের যখন পরস্পরের সাথে দেখা হবে, তারা বলবে গত বজ্রপাতে তোমাদের এলাকায় কতজন মারা গেছে,
-সুদের ছড়াছড়ি হবে,
য‌েনা-ব্যভিচার (প্রেম -ভালবাসা,অবৈধ সম্পর্ক,পরকীয়া) বেড়ে যাবে,

-সময়ের দ্রুত চলে যাবে (বরকত কমে যাবে),
-গান-বাজনা ব্যাপক বৃদ্ধি যাবে ও তাকে হালাল মনে করা হবে,
-মদ্যপান বেড়ে যাবে ও তা অন্য নাম দিয়ে বিক্রি করা হবে,
-আকাশ থেকে (স্যাটালাইটের মাধ্যমে) ফেতনা বর্ষিত হবে,

-মুসলিম উম্মাহর একদল মূর্তিপূজা করবে ),
-দাসী তার প্রভুকে জন্ম দেবে (মেয়ে তার মায়ের সাথে দাসীর মত ব্যবহার করবে),
-গায়ক,গায়িকা (Singers),নর্তকী(Dancers)দের কদর বেড়ে যাবে,

-মুসলীমরা সব জায়গায় নির্যাতিত হবে,
-ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে (বর্তমানে শতকরা ৯৪ ভাগ শুকিয়ে গেছে )আর তা থেকে স্বর্নের পাহাড় উঠে আসবে, (ভূল ত্রুট‌ি মার্জনীয়)।

ফেনীর ফাজিলপুরে অন্তঃস্বত্তা স্ত্রীকে বিদ্যুৎ শক্ দিয়ে হত্যা : স্বামীর স্বীকারোক্তি

ফেনীর ফাজিলপুরে অন্ত:স্বত্ত¡ স্ত্রীকে বিদ্যুৎ শক্ দিয়ে হত্যা করে স্বাভাবিক মৃত্যুর নাটক সাজিয়েছিল বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক স্বামী। শনিবার বিকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুব জ্যাতি পালের আদালতে ১৬৪ দ্বারা জবানবন্দি প্রদান করে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহদাকার রাতে তাকে গ্রেফতারকরে। সিনিয়ন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুব জ্যাতি পালের আদালতে মামলা কমকতা এসআই আবু তাহের আসামি ইয়াসিরকে হাজির করে দু’মাসের অন্ত:স্বত্ত¡ স্ত্রী শিরীনা আক্তার (২৬) কে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যা করেছ বলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ঘাতক স্বামী ইয়াছিন (২৩)।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের আবদুল গফুর কোম্পানী বাড়ীর আহছান উল্লাহর ছেলে মো. ইয়াছিনের সাথে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ শিবপুর জাফর সরদার বাড়ীর মৃত মোস্তফার মেয়ে শিরীনা আক্তারের বিয়ে হয়।

শিরীনার ডানহাত পঙ্গু হওয়ায় বিয়ের পর থেকে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে অশান্তি বিরাজ করছে।

৬ মার্চ সকাল ৯টার দিকে সে ফোনে শাশুড়ি ফিরোজা বেগম জানান, শিরীনা মারা গেছে। খবর পেয়ে শিরীনার মাসহ পরিবারের লোকজন ছুটে যায়।

স্বামীর ঘরে শিরীনার নিথর দেহ দেখে তারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

এজাহার সূত্রে আরো জানা যায়, শিরীনার দুহাতে কালো দাগ দেখে তারা হত্যার আলামত পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল রিপোর্ট নিয়ে লাশ ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পরে লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ফেনীর দাগনভূঞাতে ৬ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

ফেনীর দাগনভূঞাঁ ২নংসিন্দুরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের অলাতলি নুরানী হাফেজীয়া মাদ্রাসায় শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টায় মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার

ফেনীর দাগনভূঞাতে ৬ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার দায়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক নাজিম উদ্দিন আহরারকে (২৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাতে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের অলতলি নুরানী হাফেজীয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

কৌরেশ মুন্সী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতার নাজিম জেলার পরশুরাম উপজেলার সাতকুচিয়া গ্রামের মাওলানা মাঈন উদ্দিনের ছেলে।

মাদ্রাসার অন্য শিশুদের ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক নাজিম উদ্দিন কোমলমতি শিশুদের সাথে এসব ‘খারাপ কাজ’ করে আসছে। হুমকি ধমকির কারণে শিশুরা চুপ থাকতো। তাদের অভিভাবকদের জানালেও লোকলজ্জা থেকে বাঁচতে তারাও উচ্চবাচ্য করতো না। আর এর সুযোগ নিয়ে ওই শিক্ষক তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। কোনো কোনো শিশুকে লোভ দেখিয়ে, কাউকে হাত পা মালিশ করানোর কথা বলে অথবা কাউকে জোর করে নিজের কক্ষে নিয়ে ছাত্রদের বলাৎকার ও ছাত্রীদের ধর্ষণের চেষ্টা করতো নাজিম উদ্দিন।
এস আই সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষক নাজিম বিস্কুট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় শিশু ছাত্রীটি ব্যাথায় চিৎকার শুরু করলে লোকজনের ভয়ে নাজিম তাকে ঠেলে কক্ষ থেকে বের করে দেয়। পরে বাড়ি গিয়ে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনাটি বলে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ছালেহ আহাম্মদ পাঠান বলেন, এ ব্যাপারে নাজিমকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরে নেয়া হচ্ছে ওবায়দুল কাদেরকে

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হচ্ছে। ভারতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে স্থানান্তরের জন্য সিঙ্গাপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে তাকে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া। এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ওবায়দুল কাদেরের সাথে তার স্ত্রী এবং বাংলাদেশি একজন চিকিৎসক যাবেন।

দুপুরে ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। জানান, মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে ঢাকায় আসেন ভারতের চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠি। রোববার সকালে বুকে ব্যথা অনুভূত হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদককে নেয়া হয় বিএসএমএমইউ-তে। তাৎক্ষণিক পরীক্ষায় তার হার্টে ৩টি ব্লক ধরা পড়ে।