কেউ কি ভাবতে পারে বাঙালীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে।

ভারত মহাদেশ ২০০ বছর নির্জাতন করেছে ব্রিটিশ ।

তার মধ্যে আমরাও ছিলাম। ৪৭ থেকে ৭১ রক্ত চুশলো পাকিস্তান। ৭১ এর পর মনে হলো আমরা এখন

পুরাপুরি স্বাধীন হলাম। আমাদের একটা দেশ হলো।

একটা পতাকা পেলাম। পৃথীবীর বুকে একটা মানচিত্র পেলাম। কিন্তুু আসলো ৭৫। কেউ কি ভাবতে পারে বাঙালীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে। শুরু হলো বাঙালী হয়ে বাঙালীদে উপর নির্জাতন।

এর মধ্যে এরশাদ কাকার ৯ বছর আর বি এন পি ও আওয়ামী লীগ পালাক্রমে বাঙালীদের ইজজত নিয়েছে।

আজ ৩০/১২/২০১৮। আমরা এখন নির্জাতিত। আমাদের বাক স্বাধীনতা নেই। নেই ভোটাধিকা। ৪৭ বছরে বাংলাদেশ অনেক বুড়া হয়ে গেছে তাই জোর করলেই সব করা যায়। বঙ্গবন্ধুর কন্যা আমরা আপনাকে শোক সংবাদ জানাচ্ছি বাংলাদেশ নামে একটা দেশ মারা গেছে।

জামায়াত ইস্যু ও জাতিকে দুই ভাগে বিভক্তি।

জামায়াত ইস্যু ও জাতিকে দুই ভাগে বিভক্তি।

সবচেয়ে খারাপতো তারাই যারা জাতিকে দুই ভাগে ভাগ করার জন্য রাজনীতি করে।আপনি কি খেয়াল করেছেন,স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের নামে একটি পক্ষ রমরমা রাজনৈতিক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে?জাতিকে বিভক্ত করছে?

আসলে কি জানেন?প্রজন্ম কিন্তু পরিবর্তন হয়ে গেছে,৪৭ বছর পরে এখন আর পক্ষ বিপক্ষ বলে কেউ নেই।আমরা এখন সবাই বাংলাদেশী এবং একপক্ষ।আমার অনুরোধ বিষয়টা ভেবে দেখবেন,যারা এই পক্ষ বিপক্ষ তৈরী করছে,তারা আসলে জাতির মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ তৈরী করে দিচ্ছে,

এরাই কিন্তু আসলে দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু ও প্রকৃত রাষ্ট্রদ্রোহী।এদের ফাঁদে কেউ পা দিবেন না।বর্তমানে কোনো অপরাধী সন্ত্রাসী খুনীদের কোনোই বিচার নাই,কিন্তু ৪৭ বছর আগের বিষয় নিয়ে মাতামাতি কিন্তু পুরাটাই জাতির সাথে ফাইজলামী।

কথাটা পারলে সবাইকে ছডিয়ে দিন।বিদ্বেষ ছড়িয়ে যারা জাতিকে বিভক্ত করে,তারাই এই দেশের সবচেয়ে বড় সুবিধাবাদী ও শত্রু।

কোনো সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে কেউ পা দিবেন না প্লিজ।বর্তমান অপরাধের বিচার হচ্ছে কিনা,সেটা নিয়ে প্রতিবাদ করুন।

মুসলিম বিদ্বেষ থেকেই রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করছে ভারত

মুসলিম বিদ্বেষ থেকেই রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করছে ভারত

মিয়ানমারের মতো ভারতও সেখানে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গত ৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তত ১৩০০ রোহিঙ্গা ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে।

মূলত এসব রোহিঙ্গার ভারত সরকার বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য করেছে। সীমান্তে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তাদের আটক করে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে পাঠিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনাকে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিয়ানমারের মতো ভারতও রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তারা মনে করছেন, আপতদৃষ্টিতে ভারত থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা সংখ্যা কম মনে হলেও এটি ভারতের একটি নীতির ফসল এবং তা ভবিষ্যতে আরও বড় আকার নেয়ার ইঙ্গিতপূর্ণ।

গত অক্টোবরে ভারত যখন সাত রোহিঙ্গাকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায়, তখন তাদের নিরাপত্তা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আপত্তি ও সমালোচনা করলেও ভারত তাতে গা করেনি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ও গবেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, যেভাবেই হোক ভারত রোহিঙ্গাদের বহিষ্কারের পথে এগুচ্ছে। তাদের এ আশঙ্কাই এখন সত্য বলে প্রতীয়মাণ হচ্ছে।

৭ রোহিঙ্গার পর ১৩০০ রোহিঙ্গাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধ্য করার বিষয়টি ধীরে ধীরে রোহিঙ্গা বিতাড়নে দেশটির নীতি পরিষ্কার করে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বড় সংখ্যায় হয়তো ভারত রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করবে। উল্লেখ করা প্রয়োজন, মিয়ানমারের নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিরাপত্তার অজুহাতে ভারত যে রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের নীতি অবলম্বন করেছে, তা মূলত মিয়ানমারের নীতিরই প্রতিফলন। কারণ মিয়ানমার সরকার মুসলমান বিদ্বেষী হয়েই রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিতাড়নে ইতিহাসের বর্বরতম নৃশংস পথ অবলম্বন করে।

মিয়ানমার থেকে যখন রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন নিয়ে সারাবিশ্ব সোচ্চার, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মিয়ানমার সফর করে মূলত রোহিঙ্গা বিতাড়নকে সমর্থন দিয়ে আছেন। অথচ ভারত সরকার মুখে মুখে এবং কূটনৈতিক ভাষায় রোহিঙ্গাদের পাশে আছে বলে বিভিন্ন সময় বলেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে সহায়তা করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে। ভারত সরকারের এসব কথা যে ‘আই ওয়াশ’ তা সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিজেপি সরকার যে বরাবরই মুসলিম বিদ্বেষী এ থেকে তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

ভারতে এখনো মুসলমানদের ওপর অকথ্য নিপীড়ন ও নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আশ্রয় নেয়া মুসলমান রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন প্রক্রিয়া। বিজেপির মুসলমান বিদ্বেষ প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে, আসাম থেকে বাংলাদেশী বিতাড়নের উদ্যোগের মাধ্যমে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেখানে বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র আয়তনের একটি দেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে, সেখানে ভারতের মতো বিশাল দেশে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া কোনো ব্যাপার না। বিশ্লেষকরা বলছেন, ধর্মভিত্তিক বৈষম্য, বিশেষ করে মুসলমান জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ভারত সরকারের নানা ব্যবস্থা, মোদী সরকার কোনো রকম রাখঢাক না করেই করছে। হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি এত দিন ধরে ভারতে যে মুসলমান বিদ্বেষ ছড়িয়েছে, রোহিঙ্গা বিতাড়নের মাধ্যমে তা এখন আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভারত যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে দীর্ঘসূত্রতা পরোক্ষভাবে মিয়ানমারের যুক্তিকে সমর্থন করছে, তা কোনোভাবেই বাংলাদেশের জন্য অনুকূল নয়। রোহিঙ্গা সংকটে ভারত যে মিয়ানমারের পক্ষেই দাঁড়িয়েছে তা নয়, মিয়ানমারের সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা এবং রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার মধ্য দিয়ে যে আচরণ করছে, তা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধীও। দুঃখজনকভাবে ভারতের এ আচরণে আমাদের সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবাদ দূরে থাক, টুঁ শব্দটিও করছে না।

বলার অপেক্ষা রাখে না, মিয়ানমারে যে মুসলমান বিদ্বেষ থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করছে, ভারতও একই নীতি অবলম্বন করে সেখানে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের এ আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যে বাংলাদেশ তাকে চাহিবামাত্র দ্বিধাহীনভাবে সবকিছু দিয়ে দিয়েছে, বিনিময়ে কিছুই পায়নি, সে দেশের সাথে এ ধরণের আচরণ বন্ধুত্বের পরিবর্তে দাদাগিরিই প্রকাশ করছে। অথচ বর্তমান সরকার ভারতকে তার সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু ভাবলেও ভারত তার কোনো মূল্যই দিচ্ছে না। নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে ভারতকেই বেছে নিয়েছেন। আমরা জানি না, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা এবং ভারত থেকে তাদের বিতাড়নের বিষয়টি আলোচনা করবেন কিনা। এমনিতেই ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের ভারে বাংলাদেশ ভারাক্রান্ত, তার উপর ভারতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের যদি ঠেলে দেয়া হয়, তবে কী উপায় হবে! বন্ধুর দায়িত্ব কি এটা যে, বন্ধুর জন্য যা বিরাট বোঝা ও সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তা আরও ভারি করা? দেখা যাচ্ছে, ভারত তার ইচ্ছা মতো বাংলাদেশের সাথে যেমন খুশি তেমন আচরণ করে যাচ্ছে, এ নিয়ে আমাদের সরকারসহ নাগরিক সমাজের কেউই কোনো প্রতিবাদ করছে না। তারা যেন মৌখিক প্রতিবাদটুকু করার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। আমরা আশা করি, রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার বিরুদ্ধে সরকারসহ রাজনৈতিক মহল ও নাগরিক সমাজ প্রতিবাদে উচ্চকণ্ঠ হবে। আরও গভীর হওয়ার আগেই সঙ্কটের সন্তোষজনক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

নোয়াখালীতে ফের গৃহবধূকে গণধর্ষণ, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

নোয়াখালীর কবিরহাটে এক বিএনপি কর্মীর স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় শনিবার সকাল ১০টার দিকে নির্যাতিতা গৃহবধূ বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করে। এর আগে শুক্রবার রাত ১০টায় উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতার জহির উদ্দিন ওরফে জাকির হোসেন মৃত এনামুল হকের ছেলে ও ধানশালিক ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বলে জানিয়েছেন ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মোনাফ।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলা ধানশালিক ইউনিয়নের নবগ্রামের এক বিএনপির কর্মীকে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে পুলিশ গ্রেফতার করে। গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে না থাকায় গ্রেফতার যুবলীগ নেতা জহির উদ্দিন ওরফে জাকের হোসেনের নেতৃত্বে ৪-৫ জন গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে। তাদের বাধা দিতে গেলে গৃহবধূকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় তারা অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে জিম্মি করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

কবিরহাট থানার ওসি মির্জা মোহাম্মদ হাসান ঘটনা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধানের শীষে ভোট দেয়ার জের ধরে রাত ১১টার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামে সিএনজিচালকের স্ত্রী (৪০) গণধর্ষণের শিকার হন।

এ সময় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা গৃহবধূর স্বামী, ছেলেমেয়েকে পিটিয়ে আহত করে। ঘটনার পরপরই গোপনে গৃহবধূ ও আহতদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে গৃহবধূর দাবি, নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা এ ঘটনার সঙ্গে দলীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন একটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল।

দল-মত দেখা হবেনা, প্রতিটি নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ’ – শেখ হাসিনা

‘দল-মত দেখা হবেনা, প্রতিটি নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ’ – শেখ হাসিনা:ফেনী প্রবাসী

নির্বাচনের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে আওয়ামী লীগের ‘বিজয় সমাবেশে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার বলেছেন, তার সরকার দল-মত নির্বিশেষে সবার উন্নয়নে কাজ করবে।

“রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা যখন হাতে এসেছে, সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে। প্রতিটি জনগণ, প্রতিটি নাগরিক অমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, প্রত্যেকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবো, সেখানে কোন দল বা মত দেখা হবেনা।”

তার প্রায় কুড়ি মিনিটের ভাষণে, শেখ হাসিনা একবারও তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করেননি। বরঞ্চ ধন্যবাদ জ্ঞাপনের পালায়, প্রতিপক্ষদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

“যে সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ, নির্বাচনকে তারা অর্থবহ করেছেন।”

তবে নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে বিরোধী জোট সহ বিভিন্ন পক্ষের অব্যাহত অভিযোগ নিয়ে একটি কথাও বলেননি শেখ হাসিনা।

বিজয় উদযাপনের সমাবেশে, শেখ হাসিনার মূল বার্তা ছিল – তিনি বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করবেন, দুর্নীতি দুর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবেন।

“আগামী দিনে সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ, সোনার বাংলাদেশ, এটাই আমার প্রতিজ্ঞা।”

“আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। স্বজন হারানোর ব্যথা নিয়েও এ দেশকে গড়ে তুলবো বলে নিজেকে উৎসর্গ করেছি…দেশের মানুষ যে বিশ্বাস রেখেছে, তা আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও রাখবো।

আবারও নোয়াখালীতে ঘরের সিঁধ কেটে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ

আবারও নোয়াখালীতে ঘরের সিঁধ কেটে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নে ঘরের সিঁধ কেটে এক গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাকির হোসেন জহির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর একটার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটক জাকির নবগ্রামের এনামুল হকের ছেলে। স্থানীয় জিয়ানগর এলাকায় একটি মুদি দোকান আছে জহিরের।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বরাত দিয়ে তার মামা শ্বশুর জানান, রাত দেড়টার দিকে জাকির হোসেনসহ সাতজন তার ভাগনের (ভিকটিমের স্বামী) ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে গৃহবধূর কাছে ৬০ হাজার টাকা আছে বলে তারা সেই টাকাগুলি চায়। বিষয়টি নিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে তাদের তর্কাতর্কিও হয়।

এক পর্যায়ে ঘরের লাইট বন্ধ করে ভিকটিমের মা, ছেলে ও দুই মেয়েকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তিনজন ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা নগদ টাকা, দুই ভরি স্বর্ণ, মোবাইল ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর কয়েকজন দুর্বৃত্ত আরেকটি বাড়িতে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে এক ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা মোহাম্মদ হাছান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভিকটিম বাদী হয়ে ঘটনায় জড়িত চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছেন। এদের মধ্যে জাকির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন।

মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন।

কারো সাথে হাত মেলাবার সময় দস্তানা পরতেন, মুখে মাস্ক লাগাতেন।
নিজের দেখাশোনা করার জন্য বাড়িতে 12 জন ডাক্তার নিযুক্ত করে ছিলেন,যারা তার মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত প্রতিদিন পরিক্ষা করতো।খাবার ল্যাবরেটরিতে
পরিক্ষা করে খাওয়ানো হত।

প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর জন্য 15 জন লোক ছিল।
মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বেঁচে থাকার লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ছিলেন।
Oxygen যুক্ত বেডে ঘুমাতেন।
নিজের জন্য Organ Donar রেডি করে রেখেছিলেন।যাদের সমস্ত খরচ নিজে বহন করতেন,যাতে হঠাৎ দরকার পড়লেই তারা Kidney, Lungs,Eye etc organ মাইকেলকে দিতে পারে।

পারলেন না হেরে গেলেন। মাত্র 50 বছরে জীবনে।
25th June 2009 সালে ওনার হৃৎপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে গেল।
নিজের ঘরে থাকা 12 জন ডাক্তারের চেষ্টা কোনো কাজেই লাগলোনা।
Los Angeles, California র সমস্ত ডাক্তার একত্রে চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারলেন না।
জীবনের শেষ 25 বছর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একপাও চলতেন না।
যে নিজেকে 150 বছর বাঁচার স্বপ্ন দেখাতেন। তার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।

মাইকেল জ্যাকসনের অন্তিমযাত্রা 2.5 million লোক Live দেখেছিল,যেটা আজ পর্যন্ত সব থেকে বড় Live telecast ছিল। তার মৃত্যু দিন অর্থাৎ 25th June 2009, 3.15pm Wekipedia, Twitter, AOL’s Instant messagenger বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। Google’s এ 8 lakh লোক একসাথে মাইকেল জ্যাকসন সার্চ করে ছিল। অতিরিক্ত সার্চের জন্য Google traffic জ্যাম হয়ে গিয়েছিল, প্রায় আড়াই ঘণ্টা Google কাজ করেনি।
মৃত্যুকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গিয়ে নিজেই চ্যালেঞ্জের কাছে হেরে গেলেন।

সাজানো পৃথিবীর,সাজানো জীবন স্বাভাবিক মৃত্যুর বদলে সাজানো মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করে।এটাই নিয়ম।
(কিসের অহংকার, কিসের গর্ব,চারদিনের এই জীবনে
একদিন শুন্য হাতে, খালি পায়ে পৌছে যাবেন মৃত্যুর কাছে )

এবার একটু ভাবুন।
1.আমরা কি Builder, Engineer,Designer,Caterer, Decorator’s দের জন্য রোজগার করে যাচ্ছি?
2. দামি বাড়ি,গাড়ি, বিলাসবহুল বিয়ে দেখিয়ে কাকে আমরা Impressed করছি?
3. আপনার নিজের কি মনে আছে দুদিন আগে কারো বিয়েতে কি কি খেয়ে ছিলেন?
4. জীবনের শুরু সময়ে কেন আমরা পশুর মত খেটে যাচ্ছি?

5. আগামী কত Generation এর ‌জন্য খাওয়া দাওয়া, লালন পালনের ব্যবস্থা করে যাবো?
6. আমাদের বেশিরভাগেরই 2টা করে সন্তান,কারো আবার একটা। আমাদের জীবনের প্রয়োজন কতটা আর
কতটা পেতে চাই এটা কি ভেবেছেন?
7. আপনার কি মনে হয় আপনার সন্তানেরা রোজকার করতে পারবনা,তাই তাদের জন্য অতিরিক্ত Savings করা কি এতই দরকার?

8. আপনি কি সারা সপ্তাহে 1 দিনও নিজের পরিবার, বন্ধু বান্ধব,এমনকি নিজের জন্য খরচ করেন?
9. আপনার মাসিক আয়ের 5% ও নিজের খুশি ও আনন্দের জন্য ব্যয় করেন?
10. আমরা অর্থ উপার্জনের সাথেসাথে জীবনের আনন্দ কেন পাচ্ছিনা?
উত্তর হবে না না না!!!!!!!!!
ভাবতে ভাবতে হয়তো আগেই Slipp Disc, কোলস্টেরল, অনিদ্রা আপনার হার্ট ব্লক করে দেবে।
সারমর্ম

নিজের আনন্দের জন্য সময় দিন। আমরা কেউই কোনো সম্পত্তির মালিক নই, কেবল কিছু কাগজপত্রে অস্থায়ীরূপে আমাদের নাম লেখা থাকে।
যখন আমরা বলি “এই জায়গার মালিক আমি”
সৃস্টিকতা’ তখন ব্যাঙ্গের হাসি হাসেন।
কারো সুন্দর গাড়ী,বাহারী পোশাক দেখে তার উপর বিচার করবেন না।

ধনী হওয়া অপরাধ নয়, কেবল শুধুমাত্র অর্থের জন্যই ধনী হওয়া অপরাধ।
জীবনকে Control করুন নাহলে জীবন একদিন আপনাকে Control করবে।

মোদীবিরোধী সমাবেশ, গোটা ভারতের চোখ কলকাতায়

মোদীবিরোধী সমাবেশ, গোটা ভারতের চোখ কলকাতায়

ভারতের লোকসভা নির্বাচন (জাতীয় নির্বাচন) দরজায় কড়া নাড়ছে। নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াতেই যেন পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ব্রিগেড সমাবেশের আয়োজন করেছে। তবে এবারের আয়োজন আর পাঁচটা ব্রিগেড সমাবেশের থেকে কিছুটা হলেও ভিন্ন। জাতীয় রাজনীতিতে মোদীবিরোধী শক্তির মিলনক্ষেত্র হতে চলেছে এবারের সমাবেশ।

ফলে রাজ্যের শাসকদলের নেতারা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত দুই ডজন কেন্দ্রীয় নেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রীরা এসেছেন কলকাতায়। একদিকে সমাবেশে আসা কর্মী-সমর্থকবাহী যানবাহনের লম্বা লাইন অন্যদিকে দেশের ভিভিআইপিদের যাত্রাপথ সুগম করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কলকাতা পুলিশকে।শনিবার (১৯ জানুয়ারি) ভোর থেকে রাজ্যের প্রত্যন্ত জেলা থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে উপস্থিত হয়েছেন। এ কারণে সকাল থেকেই যানজটে রুদ্ধ হচ্ছে মিছিলনগরী কলকাতা!

ছুটির দিনে ব্রিগেড সমাবেশ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি হয়তো পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। কিন্তু জরুরি পরিষেবার পাশাপাশি প্রায় সব বেসরকারি অফিস শনিবার খোলা রাখা হয়েছে। ফলে ভোগান্তি একদম এড়ানো যাচ্ছে না। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কেউ রাস্তায় আটকে পড়লে, প্রয়োজনে কলকাতা পুলিশের ‘১০০’ নম্বরে ফোন করলে সাহায্য মিলবে।

ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে আসা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের জন্য ১২৫টি পানির গাড়ির ব্যবস্থা করেছে কলকাতা পৌরসভা। এবারের সমাবেশ অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে বলেই ক্ষমতাসীন তৃণমূল নেতাদের ধারণা। এ কারণেই পানির গাড়ির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পৌরসভার পানি সরবরাহ বিভাগের কর্তারা।

এছাড়াও ব্রিগেড (গড়ের মাঠ) সমাবেশে থাকছে ৮০টি বায়ো টয়লেট। রাজপথে নেমেছে অতিরিক্ত দশ হাজার পুলিশ। শহরের বিভিন্ন জায়গায় করা হয়েছে ৪শ’ অস্থায়ী পুলিশ পিকেট। বাড়তি নজরদারি রয়েছে শহরের উঁচু বিল্ডিংগুলো থেকে। রাখা হয়েছে স্নাইপার। রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, শার্প শুটার ও কুইক রেসপন্স টিম। সমাবেশ ঘিরে আছে দুই হাজার অ্যাম্বুলেন্স।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী টিআর বালু, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ শৌরি, সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, অরুণাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গেগং আপাং, মিজোরামের বিরোধী দলনেতা পু লালধুয়ামা— কে নেই সেই তালিকায়।

তালিকা এখানেই শেষ নয়, আসছেন বিদ্রোহী বিজেপি এমপি শত্রুঘ্ন সিনহা, যশোবন্ত সিনহা, মায়াবতীর প্রতিনিধি সতীশ মিশ্র, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, আরজেডির তেজস্বী যাদবের মতো আরও অনেকে।সমাবেশের অনেক আগেই তৃণমূলের ইউনাইটেড ইন্ডিয়া র‌্যালি, আক্ষরিক অর্থেই গোটা দেশের বিরোধী মহাজোটের আকার নিয়েছে। ফলে গোটা ভারতের রাজনীতিবিদদের চোখ আজ কলকাতায়।

বাংলাদেশের নির্বাচন সঠিক হয়নি: জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশের নির্বাচন অবশ্যই সঠিক হয়নি: জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশী অনলাইন জাস্ট নিউজ সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারীর এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতারেস আজ বলেন, “বাংলাদেশে নির্বাচন সঠিক হয়নি, এ বিষয়টা এখন স্পষ্ট।

বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক পক্ষকে আমরা বলবো তারা যেনো এ নিয়ে কার্যকর সংলাপের মধ্য দিয়ে সমাধানের উপায় বের করে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের স্বার্থে এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ইতিবাচক হতে হবে।”

জাতিসংঘ সদর দফতরে শুক্রবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরাস একথা বলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাধারণত এ ব্রিফিংগুলো দেন। কিন্তু শুক্রবার মহাসচিব গুতেরাস নিজেই ব্রিফিংয়ে অংশ নেন। স্টিফেন ডুজারিকও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবকে করা পুরো প্রশ্নটি ছিল, মি: মহাসচিব, আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনি জানেন যে, গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ছিলো ভোট, কারচুপি, ভোটারদের হুমকি আর বিরোধী দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপর উপর্যপুরি আক্রমণে পরিপূর্ণ। বিরোধীদলগুলো ইতোমধ্যে নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে।

ক্ষমতাসীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের আয়োজনে ১৭ সংস্থার সমন্বয়ে নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদেরও দেশটিতে যাবার সুযোগ দেয়নি। এমন বাস্তবতায় আপনার সার্বিক মূল্যায়ন কী? আপনি কী ঘটনা সমুহ তদন্তে কোনো দূত বা প্রতিনিধি প্রেরণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন?

পরিবর্তন আসছে,,, পরিবর্তন আসবেই,,,,

ট্রাফিক আইন মেনে চলায় মোটরসাইকেল আরোহীকে

ট্রাফিক আইন মেনে চলায় মোটরসাইকেল আরোহীকে ট্রাফিক উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার

জানান

জনাব প্রবীর কুমার রায়,পিপিএম মহোদয়ের ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রতি আহবান।