রাসেলের সাথে যোগাযোগই করেনি গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ

বাস চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেও এখন পর্যন্ত তাকে কোন টাকা দেয়নি গ্রিন লাইন বাস কর্তৃপক্ষ।

বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ফ্লাইওভারের ওপর বাস চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারের সঙ্গে গ্রীন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগ করেনি। বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে এ তথ্য জানান রাসেল সরকার।

আজ নির্ধারিত দিনে রাসেলের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে তিনি হাইকোর্টে রয়েছেন।
রাসেল সরকার বলেন, ‘আদালতের আদেশ অনুযায়ী গ্রীন লাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গতকাল (সোমবার) আমাকে টাকা দিয়ে আজ কোর্টকে জানানোর কথা ছিল। টাকা তো দূরে থাকা, আজ এখন পর্যন্ত তাদের (গ্রীন লাইন কর্তৃপক্ষ) পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগই করেনি।’

পা হারানো রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ দিতে গ্রীন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে আজ বুধবার হাইকোর্টে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

অন্যদিকে হাইকোর্টের দেয়া ক্ষতিপূরণের আদেশ স্থগিত চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষে গতকাল মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম।

তিনি জানান, মালিক সমিতির পক্ষে সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান আবেদনটি করেন। এতে হাইকোর্টের ১২ মার্চ দেয়া আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়। আবেদনের পক্ষে লড়তে আইনজীবী আবদুল মতিন খসরুকে নিতে চাইলে তিনি মামলা পরিচালনায় অসম্মতি জানালে আবেদনটি আজ (বুধবার) দুপুরে শুনানির জন্য রাখা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল যাত্রাবাড়ীতে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় পা হারায় মো. রাসেল (২৫)।

অপরাধী যেই হোক জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে’

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে (১৮) কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনেও আওতায় আনা হবে বলেছেন- চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এ কথা বলেন।

ঘটনার সাথে জড়িতদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দু:খ জনক ও নেক্কার জনক। অপরাধী সনাক্ত করতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে। অল্প সময়ের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উৎঘাটিত হবে। অপরাধিরা প্রকাশ্য কিংবা অপ্রকাশ্য যেই থাকুক না কেন তাকে চিহ্নত করে আইনে সোপর্দ করা হবে। গোলাম ফারুক আরো বলেন, এ পর্যন্ত পুলিশ এজহার নামীয় দুইজন ও অপর ৭জনকে আট করেছে। তাদের জিজ্ঞাবাদ করছে পুলিশ।

এর আগে তিনি ৬ এপ্রিল ঘটনাস্থলে থাকা ও রাফিকে উদ্ধার করা পুলিশ সদস্য মো. রাসেলের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন।

এসময় পুলিশ সুপার সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঐক্য সিং, সহকারী পুলিশ সুপার খালেদ হোসেন, দাগনভূঞা সোনাগাজী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, সোনাগাজী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাশেদ খান চৌধুরী, ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ, সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল শনিবার সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যায় নুসরাত জাহান রাফি। মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবি নিশাতকে ছাদের উপর কেই মারধর করেছে এমন সংবাদ দিলে সে ওই বিল্ডিংয়ের চার তলায় যায়। সেখানে মুখোশপরা ৪/৫জন ছাত্রী তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। সে অস্বীকৃতি জানালে তারা গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমসহ ৮ জনের মান উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামালা দায়ের করেন অগ্নিদগ্ধ রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

এর আগে ২৭ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। সে ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
সম্পাদনা: আরএইচ/এনজেটি

নৌকা চলছে ঢাকায় সড়কে, জেগে উঠেছে নদী

সোমবার দুই ধাপে প্রায় আধাঘণ্টার বৃষ্টিতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ অনেক সড়কেই জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এ দিন দুপুর ও বিকেল মিলিয়ে দুই ধাপে অন্তত আধঘণ্টা বৃষ্টি হয়।

বৃষ্টিতে সড়কগুলোর অবস্থা অনেকটা খালের মতো হয়ে যায়। কাজী পাড়ায় নৌকা চালাতে দেখা গেছে। মিরপুর ১ নম্বরেও সড়ক তলিয়ে যায়। বনানী-কাকলি সড়কেও পানি জমে যায়।

নগরবাসী অনেকে বলেন, ‘বৃষ্টিতে রাজধানীর খালগুলো জেগে উঠেছে’।

আবহাওয়া অফিস জানায় সোমবার ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৫১ মিলিমিটার। কোথাও কোথাও শিলা বৃষ্টিও হয়েছে।

বৃষ্টির পর রাজধানীর, বনানী, মিরপুর, কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক সড়কে পানি জমে থাকতে দেখা যায় দীর্ঘ সময়।

ভুক্তভোগী নাগরিকরা আশঙ্কায় আছেন বর্ষার সময় কী পরিস্থিতি হয় তা নিয়ে।

গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হলেও সোমবারে এর পরিমাণ ছিল বেশি। বছরের জলাবদ্ধতাও দেখা গেল এ প্রথম।

রাজধানীর কাজীপাড়া এলাকায় নৌকা চালাতে দেখা গেছে। এছাড়া বনানী এলাকায়ও জলাবদ্ধতায় যানজট দেখা দেয়।

কারওয়ান বাজার এলাকায় কোলে করে পথচারীদের পারাপারে নেয়া হয় ১০ টাকা করে।

ফেনীতে নিখোঁজ এর একসপ্তাহ পর শুভ ‘র গলিত লাশ উদ্ধার

ফেনী শহরতলীর পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের তেমুহনী সংলগ্ন স্থানে রোববার (৭ এপ্রিল) ভোরে আরাফাত হোসেন শুভ (১২) নামে এক নিখোঁজ ছাত্রের ৭ দিন পর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উদ্ধারকৃত লাশ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। নিহত শুভ পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে।
ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো.
সাজেদুল ইসলাম জানান, গত ৩১ মার্চ
পাঁচগাছিয়ার তেমুহনী বাজার এলাকা
থেকে তেমুহানী মাদার কেয়ার
ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির
ছাত্র আরাফাত হোসেন নিখোঁজ হওয়ার
পর ফেনী মডেল থানায় একটি সাধারণ
ডায়েরি করা হয়।

ওই নিখোঁজের ঘটনায়
পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেছে। আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর দেয়া তথ্যমতে শনিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে তেমুহনী বাজারের অদূরে ( ফেনী-নোয়াখালী) সড়ক সংলগ্ন মাথিয়ারা নামক স্থানে রোববার ভোরে পরিত্যক্ত স্থানে গলিত অবস্থায় নিখোঁজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) আবুল কালাম আজাদ নিখোঁজ
ছাত্রের গলিত লাশ উদ্ধারের সত্যতা
নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের
জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য; গত ৩১ মার্চ বিকেলে আরাফাত
হোসেন শুভ ফেনী সদর উপজেলার
পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের তেমুহানী
বাজার থেকে নিখোঁজ হয়।

ফেনী ছাগলনাইয়া তিন জন কুখ্যাত ছিনতাইকারী গ্রেফতার

অদ্য ২৭/০৩/২০১৯ইং তারিখ রাত ০৮.০০ ঘটিকার সময় কালু চন্দ্র দাশ (২৯), পিতা- নির্মল চন্দ্র দাশ, সাং- পশ্চিম অলিনগর, থানা- মীরসরাই, জেলা- চট্টগ্রাম, বর্তমান সাং- উত্তর বল্লভপুর (দারোগারহাট), থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী বাড়ীতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে

দারোগারহাট রাস্তার মাথা হইতে একটি সিএনজি গাড়ী সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে পিছনের বাম পাশের ছিটে বসে। পরবর্তীতে সিএনজি গাড়ীটি ছাগলনাইয়া থানাধীন চম্পকনগর রাস্তার মাথা হইতে প্রায় ৪০০/৫০০ গজ পার হইলে রাত অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় ছিনতাইকারী

১। মোঃ আবুল হাশেম প্রঃ শিমুল (২৩), পিতা- মোঃ আবুল বশর, মাতা- ছেমনা আক্তার, সাং- উত্তর যশপুর, ২। মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৩), পিতা- মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মাতা- রেজিয়া বেগম, সাং- জয়নগর, ৩। মোঃ পারভেজ হোসেন (২২), পিতা- মোঃ জাফর আহাম্মদ, মাতা- আছমা আক্তার, সাং- জয়নগর, সর্বথানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনীগণ কালু চন্দ্র দাশ (২৯)কে গলায় ছোরা ধরিয়া মারপিট করে এবং খুন জখম সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদান করে।

উক্ত সংবাদ পাইয়া ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব এম.এম মুর্শেদ পিপিএম এর নেতৃত্বে, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদ্বীপ রায়ের সার্বিক সহযোগিতায় এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন, এ্সআই মোঃ ইয়াছির আরাফাত, এএসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

, এএসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন, এএসআই মোঃ সুজন তালুকদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া উক্ত আসামীদেরকে গ্রেফতার করে এবং জখমী কালু চন্দ্র দাশ’কে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আনিয়া প্রাথমিক চিৎকিসা প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে কালু চন্দ্র দাশ (২৯) বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করিলে উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে অত্র থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

ফেনীর ফাজিলপুরে সড়ক দুর্ঘটনা শিশু নিহত

ফেনীতে সড়ক দূর্ঘটনায় চুমাইয়া আক্তার(৫) নামে শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফাজিল পুর মাদ্রাসা রোড নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, রাস্তা পারা পার হবার সময় একটি কন্টিনার গাড়ি শিশুটিকে চাপা দেয়। এলাকাবাসী এগিয়ে শিশুটিকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত্য ঘোষনা করে।

নিহত চুমাইয়া ফাজিল পুর ইউনিয়নের সাবেক কবির চেয়াম্যানের বাড়ির নিজামের মেয়ে ।

ফেনীর মূহুরীগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইর্নচাজ মাববুবুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘাতক গাড়িটি আটক করা হয়েছে।

গলছে বরফ, এভারেস্ট থেকে বেরিয়ে আসছে নিখোঁজ পর্বতারোহীদের মৃতদেহ

গত কয়েক বছর ধরে পৃথিবীর সঙ্গে বাড়ছে হিমালয়ের তাপমাত্রাও। এতে গলছে এভারেস্টের বিভিন্ন হিমবাহ। গলতে শুরু করেছে হিমালয়ের বরফ। এর ফলে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের বিভিন্ন হিমবাহও থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক পর্বতারোহীর মৃতদেহ। এই নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন নেপালের পর্বতারোহী সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। মৃতদেহগুলোকে নিচে নামিয়ে আনা উচিত কিনা তা নিয়েই দেখা দিয়েছে নানা বিতর্ক।

১৯২২ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ৮০০ পর্বতারোহী জয় করেছেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট। কিন্তু তাদের অনেকেই শৃঙ্গ জয় করার পর আর নিরাপদে ফিরে আসতে পারেননি। ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা গিয়েছেন।
অনেকেই আবার শৃঙ্গ জয় করতে যাওয়ার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে প্রায় ৩০০ জন পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন। আর তাদের দুই তৃতীয়াংশই সমাধিস্থ আছেন এভারেস্টেই। বরফের তলায় চাপা পড়ে যাওয়ার তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি এত দিন।
এভারেস্টে ওঠার পথে সব থেকে বিপজ্জনক জায়গা হল খুম্ভু হিমবাহ। ১০০ বছর ধরে এই হিমবাহের আশপাশেই মারা গিয়েছেন সব থেকে বেশি পর্বতারোহী। আর এই অংশেই বরফ গলে বেরিয়ে আসছে সব থেকে বেশি মৃতদেহ। গত কয়েক বছরে এমনটাই অভিজ্ঞতা পর্বতারোহীদের।
এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আং শেরিং শেরপা। তার কথায়, ‘জলবায়ু পরিবর্তন এবং উষ্ণায়নের জন্য দ্রুত গতিতে গলছে হিমালয়ের বরফ আর হিমবাহ। সেই কারণেই বেরিয়ে আসছে একের পর এক মৃতদেহ। এভারেস্টে ওঠার পথে বিভিন্ন জায়গায় তা দেখতেও পাচ্ছেন পর্বতারোহীরা।
২০০৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত আমরা আটজন পর্বতারোহীর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিচে নামিয়ে এনেছি। তার মধ্যে কোনও কোনও মৃতদেহ প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে বরফের তলায় চাপা পড়ে ছিল।’
নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেন গাইড অ্যাসোসিয়শনের পক্ষ থেকে সবিত কুঁয়ার জানান, ‘বিষয়টি উদ্বেগজনক। সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা আমাদের। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তা সবাইকে জানাচ্ছি, যাতে কিছু একটা করা সম্ভব হয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আমরা মৃতদেহ নামিয়ে আনছি। কখনও আবার শুধুই প্রার্থনা করে পাথর আর বরফ দিয়ে মৃতদেহগুলি চাপা দিয়ে দিচ্ছি।’
মাউন্ট এভারেস্টের উপরের দিকে ক্যাম্পগুলি অত্যন্ত দুর্গম। উচ্চতার কারণে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণও অত্যন্ত কম। সেই উচ্চতা থেকে মৃতদেহ নামিয়ে আনা অনেক সময়ই বিপজ্জনক এবং সময়সাপেক্ষ। এই ধরনের অভিযানের খরচও অত্যন্ত বেশি। পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতার কারণেও তারা অনেক সময় কিছু করতে পারেন না বলে জানাচ্ছেন পর্বতারোহীরা। নেপাল সরকারের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় আরও বাড়ছে এই সমস্যা। পর্বতারোহণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মত, নেপাল সরকার এবং বিভিন্ন পর্বতারোহণ সংস্থা একযোগে কিছু করলে তবেই বরফ গলে বেরিয়ে আসা পর্বতারোহীদের সুষ্ঠুভাবে নিচে নামিয়ে নিয়ে আনা সম্ভব।
নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আং শেরিং জানান, ‘কিছু দিন আগেই একটি মৃতদেহ বেরিয়ে এসেছিল পর্বতশৃঙ্গের প্রায় কাছে, ৮,৭০০ মিটার উচ্চতায়। মৃতদেহটি ঠান্ডায় জমাট বেঁধে গিয়েছিল। মৃতদেহটির ওজন হয়ে গিয়েছিল প্রায় ১৫০ কেজি। আর তা বেরিয়ে এসেছিল অত্যন্ত দুর্গম একটি জায়গায়। ওই জায়গাটি থেকে মৃতদেহ নিচে নামিয়ে আনতে বেশ কষ্টই হয়েছিল আমাদের।’
পর্বতারোহণের যুক্ত ব্যক্তিদের অনেকেই অবশ্য মৃতদেহ নামিয়ে আনা নিয়ে সহমত নন। অনেক পর্বতারোহীই মৃত্যু হলে হিমালয়ের বুকে সমাধিস্থ থাকাই নিজের পছন্দের বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন সময়। পর্বতের প্রতি ভালবাসা থেকেই এই রকম ইচ্ছে তাদের। সে ক্ষেত্রে কোনও পর্বতারোহীকে নামিয়ে আনা তাদের জন্য অসম্মানজনক, এমন মত অনেকেরই। তাই মৃতদেহ বেরিয়ে এলে তা নামিয়ে আনা উচিত কিনা, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

মালয়েশিয়ায় গিয়ে গরুর খামার করে কোটিপতি ।

কুয়ালালামপুরে গরুর মাংসের চাহিদা মেটান বাংলাদেশি খামারি

মামুন বিন আবদুল মান্নান। ময়মনসিংহের নান্দাইলের উত্তর বানাইল গ্রামের এই যুবক জীবিকার তাগিদে পাড়ি দিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায়। সামান্য বেতনের চাকরি দিয়ে শুরু করেছিলেন পেশা জীবন। এরপর সময়ের ব্যবধানে মালয়েশিয়ায় নিজেই গড়ে তোলেন একের পর এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

এর মধ্যে সাত বছর ধরে কুয়ালালামপুর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সেলঙ্গর প্রদেশের কুনদাং এলাকায় কয়েক একর জমির ওপর গড়ে তোলেন এক বিশাল গরুর খামার। ওই খামারের নাম ‘এম এম ফার্ম’। শুধু গরুর খামারই নয়, সেখানে ছাগল, হাঁস, মুরগি ও মাছ চাষও করেন তিনি।

রাজধানীতে প্রায় ৭০ ভাগ গরুর মাংস তিনিই সরবরাহ করেন। রাজধানী ছাড়াও সেলঙ্গর প্রদেশের বিভিন্ন সুপারশপে মামুনের খামারের গরুর মাংস দেখা যায়। দিন দিন তার ব্যবসা উন্নতির দিকেই যাচ্ছে। মামুনের গরুর খামার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, খামারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বিজ্ঞানসম্মতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ওই খামার। প্রায় তিন হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গরু উন্মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করছে মামুনের খামারে। এক সারির গরু খড় খাচ্ছে। সেখানে ২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছেন। তারাই মূলত খামারের দেখভাল করেন। পাশেই একটি খামারে বিভিন্ন প্রজাতির সহ¯্রাধিক ছাগল দেখা যায়। মুরগি ও হাঁসের খামারও চোখে পড়ে। খামার সংলগ্ন বিশাল একটি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন মামুন। মালয়েশিয়ার বুকে বাংলাদেশের একটি গ্রামীণ পরিবেশ লক্ষ করা যায়। খামারে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, এখানে গরু হাতে জবাই করা হয় না। সবই হয় মেশিনের সাহায্যে। এখানে বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধি বা সুপারশপের লোকজন এসে মাংস নিয়ে যান। কেউ না এলে তারাও ডেলিভারি দিয়ে আসেন। প্রতি কেজি গরুর মাংস ২৬ রিঙ্গিত বাংলাদেশি টাকায় ৫৪৬ টাকায় বিক্রি হয়। গাভি পালন করা হয় শুধু বাচ্চা প্রসবের জন্য। ষাঁড়ের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়। কোরবানির ঈদের জন্যও কিছু ষাঁড় রাখা হয়। তাদের দুই বেলাই খামারে খাবার দেওয়া হয়। এর মধ্যে সকালে দেওয়া হয় প্যাকেটের খাবার, বিকালে তাদের খড় খাওয়ানো হয়। আর গাভি গরুগুলোকে সকালে নিয়ে যাওয়া হয় পাশেই পামঅয়েলে। বিকালে শুধু খড় খেতে দেওয়া হয়।

জানা যায়, প্রতি মাসে অন্তত ৩০০ গরু জবাই দেওয়া হয় এম এম ফার্মে। এসব মাংস তারা বিক্রি করেন বিভিন্ন সুপারশপ ও হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে। কিছু দিন পরপরই পানিপথে জাহাজভর্তি গরু আনা হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। প্রতি জাহাজে দুই থেকে আড়াই হাজার করে গরু আনা হয়। গরুর মাংসের চাহিদা থাকায় আগামী দিনে প্রতি ট্রিপে দুই জাহাজ আমদানি করার পরিকল্পনাও রয়েছে মামুন বিন আবদুল মান্নানের। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, প্রথমে ছোট্ট পরিসরে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। এরপর দিন দিন ব্যবসার পরিধি বাড়ানো হয়। সামনে খামার নিয়ে তার বড় ধরনের পরিকল্পনার কথা জানান। মামুন বিন আবদুল মান্নান বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে তিনি মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। নানা তিক্ত অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে। তবে এখন তিনি সুখী। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা অনেক বেশি। প্রথমে তাদের চাহিদার জন্যই এ ব্যবসা শুরু করি। এখন মালয়েশিয়ানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষজনও আমার খামারের গরুর মাংস নিচ্ছেন। আলাপকালে মামুন জানান, তার জন্ম নান্দাইলের উত্তর বানাইল গ্রামে ১৯৭৬ সালে। তবে অভাব-অনটনের মধ্যেই বেড়ে ওঠেন। শিক্ষক পিতা আবদুল মান্নান ছিলেন সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি সচেতন। উত্তর বানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আঠারোবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি এবং কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর জীবিকার তাগিদে ’৯৪ সালে পাড়ি জমান মালয়েশিয়ায়। প্রথমে ৩১২ রিঙ্গিত বেতনে কাজ নেন গ্রেট ওমিট টেকনোলজিতে। যা বেতন পেতেন তা দিয়ে থাকা-খাওয়ায় সব শেষ হয়ে যেত। তাই কিছু দিন পর বাধ্য হয়ে চাকরি ছেড়ে দেন। তার মাথায় ঘুরপাক খায় নিজে কিছু করার। সেই থেকে পরিকল্পনা করেন। এরপর আইডিডি ফোনকলের ব্যবসা শুরু করেন। ওই ব্যবসার পুঁজি ছিল মাত্র ১০ হাজার রিঙ্গিত। একটি দোকান ভাড়া নিয়ে পাঁচটি মোবাইল ফোন দিয়ে আন্তর্জাতিক এই ফোনকলের ব্যবসা শুরু করেন। মিনিটের হিসাবের ওই ব্যবসা কিছু দিনের মধ্যে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। মুনাফাও বেশ ভালো হয়। বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের প্রবাসীরা তার প্রতিষ্ঠানে এসে ভিড় করত। ব্যবসার ভালো গুডউইল তৈরি হয়। বেশ কিছু টাকা পুঁজিও হয়ে যায়। কিছু দিন পর ব্যবসার পরিধি বাড়ান। শুরু করেন ‘মিনি মার্কেট’ ব্যবসা। বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য তিনি সাপ্লাই দিতেন। এই ব্যবসায় তার আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ব্যবসার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। আর ব্যবসা করতে গিয়ে পরিচয় হয় মালয়েশিয়ান তরুণী ব্যবসায়ী মাস পুষ্পাওয়াতি বিনতি হাজি সেলিমের সঙ্গে। অল্পদিনের পরিচয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এরপর স্বামী-স্ত্রী মিলে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ান।

এক প্রকার আতঙ্কের নাম বলতে পারেন।পাখি আপা

পাখি আপা ! চট্টগ্রামস্থ সিআরবি এলাকায় সকলের অতি পরিচিত মুখ। এক প্রকার আতঙ্কের নাম বলতে পারেন। আমার মতে এক প্রকার দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ !

যান্ত্রিক কোলাহলতা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ যখন দৃষ্টিনন্দন এই ওয়াকওয়েতে আসে একটু স্বস্তির আশায়, সেখানে প্রত্যেকের কাছে টাকা দাবির দূত হয়ে আসে এই পাখি আপা ওরফে পাখি হিজড়া !

জনপ্রতি বাধ্যতামূলক চাঁদা আদায় চলে নিত্যদিন। সে চাঁদার হার হয়ে থাকে বিভিন্ন। বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের এবং নানা স্থান থেকে ঘুরতে আসা সকল শ্রেণির লোকদের ক্ষেত্রে সে হার ৫০ কিংবা ১০০ টাকা ছাড়া পূরন হয় না।

কেউ যদি এত টাকা দিতে আপত্তি জানায়,তাহলে থাকছে কাপড় খুলে ফেলার হুমকি, সাথে শারীরিক লাঞ্চনা। এই ধরনের পরিস্থিতি অন্তত কোন ভদ্র ঘরের সন্তান কামনা করেন না ।

তাই, সকলের কাছে এক প্রকার ত্রাশ বনে গিয়েছে এই পাখি উরফে হিজড়া পাখি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে,আমার কেন এত মাথাব্যথা ?

হ্যাঁ ভাই ! আমার এ ব্যাপারে মাথা ব্যথ্যা একটু বেশীই, কারণ এসব আমার সাথে ঘটেছে আর আমার বন্ধুমহলের অনেকের সাথেই এমন কিছু ঘটেছে !

আমরা কলেজ থেকে ১০-১২ জনের বন্ধু যখন সিআরবি তে ঘুরতে যাই ,তখন এই হিজড়া আমাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০ টাকা চাঁদা চায় !!! সাময়িক সমস্যার কারণে কম দিতে চাওয়ায় সে খুব বাজে আচরণ করে। তার এই আচরণের কারণে ভয় পাচ্ছিলাম দেখেও সে সরতে চাই না,নোংরামিটা আরো বাড়িয়ে দেয় !!!

যারা সিআরবি যায় সবাই ধনীর দুলাল না কিন্তু।অনেকেই আছে যারা আমার মত মধ্যবিত্ত।

মূল কথায় আসি, আজকে পাখিদের এই স্বভাবের জন্য আমরাই দায়ী।আমাদের ভয়কে পুঁজি করেই আজকের এই হিজড়া পাখিদের এত দৌরাত্ম। কাজেই আমাদের সকলকে সৌচ্চার হওয়া প্রয়োজন ✊✊✊

যেখানে ওদের এই নৈরাজ্য বন্ধে প্রশাসনের জনগনকে সাহায্য করার কথা সেখানে হিজড়াদেরকেই নাকি তারা চাঁদাবাজি করতে সহযোগিতা করছে (তার ভাষ্য মতে)। এই নৈরাজ্য বন্ধের জন্য এখনই প্রশাসনের উদ্যেগ নেয়া উচিত বলে মনে করছি।

কিন্তু হায় !!! প্রশাসন আজ নিরব !!!

কাজেই আমাদের সকলকে সৌচ্চার হয়ে জনমত গড়ে তুলতে হবে। হিজড়াদের অধিকার নিশ্চিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এসব চাঁদাবাজি বন্ধে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে আমরাই জনতা আমরাই শক্তি।

—- প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি —-

বিঃদ্র – ( সামাজিকতার কারণে তার নোংরা আচরণের ডকুমেন্টগুলো এড করতে পারলাম না )

#কালেক্টেড#

ফেনীতে ট্রাকভর্তি ফেন্সিডিলসহ আটক ২

ফেনীতে ট্রাকভর্তি ফেন্সিডিল উদ্ধার ও দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুর এলাকায় থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে যে, কুমিল্লা থেকে ট্রাক ভর্তি মাদকদ্রব্য চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে। এমত তথ্যের ভিত্তিতে সকালে মহাসড়কের ওই এলাকায় চেকপোষ্ট বসায়। পরে গতিবিধি সন্দেহ হলে একটি ট্রাককে (ঢাকা-মেট্রো ট-১৩-৫২২২) থামনে সংকেত দেয় র‌্যাব। চালক গাড়ী না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেতে চাইলে র‌্যাব ধাওয়া দিয়ে গতিরোধ করে। এসময় ট্রাকের ভিতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ২ হাজার ৬৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ মোঃ আউয়াল হোসেন (২৯) ও মোঃ সিদ্দিককে (২৮) আটক করে। আটককৃত আউয়াল হোসেন নরসিংদি জেলার সদর থানার সাটির পাড়া গ্রামের মৃত আহসার উল্যার ছেলে ও মো. সিদ্দিক একই উপজেলার নাগরিয়া কান্দি গ্রামের ইনাজুল হকের ছেলে।

র‌্যাব আরো জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন কৌশলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৬৫ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত ট্রাকের আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা।

ফেনীস্থ র‌্যাব-৭ সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ নুরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্ত করা হয়েছে।
সম্পাদনা: আরএইচ/এনকে