খুলনার কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকেও হার মানিয়েছে ইউপি সদস্য মোজাম্মেল

খুলনার কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকেও হার মানিয়েছে
ইউপি সদস্য মোজাম্মেল

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ :

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন ৮নং চরএলাহীর ৮নং ওয়ার্ড গাংচীল। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গতবার এ ওয়ার্ডে সন্ত্রাসী কায়দায় ভোট চুরির মাধ্যমে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন মো: হোসেনের পুত্র মো: মোজাম্মেল হোসেন। তার অপকর্ম খুলনার কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকেও হারমানিয়েছে।

জানা যায়, স্থানীয়ভাবে দলীয় রাজনীতিতে কিছুটা প্রভাব থাকলেও নেই আদর্শগত রাজনীতি। গত ৬/৭ বছর ধরে চলছে দলীয় সাইনবোর্ডের আড়ালে তার ব্যক্তিগত প্রভাব, আধিপত্য বিস্তার ও সন্ত্রাসের রাজনীতি। এক সময়ের শান্ত এ এলাকাটি এখন অশান্ত। খুন, গুম, নারী ধর্ষন, চাঁদাবাজি, হামলা, অগ্নিসংযোগ, টর্চার সেলে নিয়ে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন সবমিলিয়ে মোজাম্মেল মেম্বারের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষ দিশেহারা।

তার সন্ত্রাসের রাজনীতির যাঁতাকলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মী ও সমথর্করাও আজ জিম্মি। অভিযোগ রয়েছে, গত ইউপি নির্বাচনের পর এখানে সহিংসতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বেপরোয়া হয়ে পড়ে মোজাম্মেল। তার চাঁদাবাজি, সরকারী খাস জমি দখল করে বিক্রি এবং সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন এখন চরমে পৌছে গেছে। গত এক বছরে মোজাম্মেল মেম্বার ও তার বাহিনীর অত্যাচারে অনেকে আহত হয়েছে আবার অনেকে ঘর ছাড়া হয়েছে। আর এসকল অপকর্মের মাধ্যমে মোজাম্মেল রাতারাতি হয়ে যান কোটিপতি। হত্যা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। ঐসকল মামলার প্রত্যেকটিরই প্রধান আসামী ছিল এ মোজাম্মেল মেম্বার।

সরেজমিন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের গাংচীলে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে আলাপ করলে তারা গোপনীয়তা রক্ষা করে এ প্রতিবেদককে জানায়, মোজাম্মেল মেম্বারের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ গুলো হল, সে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারী খাস জমি দখল করে তা বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সে নিয়মিতই শালিস বানিজ্য করে যাচ্ছে। স্থানীয় অধিবাসীদেরকে বিদ্যুত দেয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় লোকজন তাকে নিয়মিত চাঁদা দিতে হচ্ছে। তাছাড়া অত্যাচার নির্যাতন, চাঁদাবাজি, নারী ধর্ষনতো আছেই। সে ও তার বাহিনীর ভয়ে মানুষ মুখ খুলতেও রাজী নয়।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে জানা যায়, গাংচীল বাজারে মার্কেট করার সময় স্থানীয় আবু তাহের সওদাগরকে বাধ্য করে তার কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয়া হয়। স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী আকাশকে ধরে এনে টর্চার সেলে আটক করে নির্যাতন চালিয়ে তার কাছে ২লক্ষ টাকা চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। গাংচীলে মৎস্য প্রজেক্ট করার সময় মাঈন উদ্দিন নামে নোয়াখালী সদরের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয়া হয়েছিল। এভাবে অসংখ্য চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এ মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায়, মোজাম্মেল মেম্বারের রয়েছে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যরা হল, আলী আহাম্মদের ছেলে লেংড়া সিরাজ, ফকির মাঝির ছেলে সেলিম, আ: শহীদ সর্দ্দারের ছেলে জামাত ক্যাডার করিম, মনু মিয়ার ছেলে সিরাজ ডাকাত ও বাসু, আ: খালেকের ছেলে রফিক, আ: সাত্তারের ছেলে সাহাব উদ্দিন, হারুন অর রশিদের ছেলে মাসুদ, সূবর্ণ চর উপজেলার চরলক্ষী ইউনিয়নের চরক্লার্কের বোরহান ডাক্তারের ছেলে আঙ্গুল কাটা মাঈনুদ্দিন অন্যতম। প্রতিরাতে এদের সশস্ত্র মহড়ায় আতঙ্কিত গাংচীলবাসী ঘুমাতেও পারেনা। নিয়মিতই তারা বোমা বিস্ফোরন করে থাকে এলাকায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ তাদের কাছে বেশ পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র আছে।

গাংচীলের আলোচিত জোৎস্না হত্যা মামলার ২জন আসামী অভিযোগ করে বলেন, মামলা থেকে বাদ দেয়ার নাম করে আমরা ৫জন আসামীর প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা নিয়েছিল মোজাম্মেল। অনুসন্ধানে জানাযায়, তার এসকল অপকর্মের কারনে ২০১৫ সালে জসীম উদ্দিন বাদী হয়ে একটি মামলা করে। মামলা নং-০৬, তারিখ-৩/৭/২০১৫, জিআর নং-১০৮৭/১৫, ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮৫/
৩৭৯/৫০৬দ:বি, এ মামলার ১নং আসামী মোজাম্মেল মেম্বার। ২০১৬ সালে শোকর বানু বাদী হয়ে একটি মামলা করে। মামলা নং-১১, তারিখ-১৫/১/২০১৬, জিআর নং-১৫৬/১৬, ধারা-৪৪৭/৩২৩/৩৮৫/৩৮৭/
১১৪/দ:বি, এ মামলার ১নং আসামী মোজাম্মেল মেম্বার। একই বছর ৩০/১/১৬ তারিখে রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করে, মামলা নং-০৩, জিআর নং-১৭০/১৬, আয়েশা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করে, মামলা নং-১০, জিআর নং-১৫৫/১৬। ছেমনা খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলা করে, মামলা নং-০২, জিআর নং-১৬৯/১৬। হাছিনা আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা করে, মামলা নং-০১, জিআর নং-১৬২/১৬। এ সকল মামলায় সে বেশ কয়েকবার হাজত বাসও করেছিল।

উল্লেখ্য কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৮নং চরএলাহী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মো: হোসেনের ছেলে মো: মোজাম্মেল হোসেনই আজকের কোটিপতি মোজাম্মেল হোসেন। জীবনের শুরুতে যে ছিল একজন দিন মজুর পরে শ্রমিক সর্দার। পড়ালেখার গন্ডি প্রাথমিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল।

দলীয় পরিচয় বিষয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ২০০১সালে তরুন বয়সে সে নোয়াখালী-৫এর স্বতন্ত্র প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরীর ভোট করে সকলের নজরে আসেন। পরবর্তীতে ২০০৭সালে সে নূর ইসলাম হত্যা মামলায় আসামী হওয়ার পর আ’লীগে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন পরিপূর্ণভাবে শুরু হয়। হয়ে যান চরএলাহী ইউনিয়ন যুবলীগের উপ-কমিটির সভাপতি(৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড)। ক্ষমতার দাপটে হয়ে যান, গাংচীল কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, আশার হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও গাংচিল রহমানীয়া দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। যদিও তার শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাথমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল। বৈবাহিক অবস্থা সম্পর্কে স্থানীয় লোকজন জানায়, ব্যক্তিগত জীবনে মোজাম্মেল মেম্বার দুইটি বিয়ে করেন।

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে এলাকায় একটি গুঞ্জন রয়েছে যে, সে কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ছাত্রীকে জোরপূর্বক বিয়ে করেছে। এক কথায় বলতে গেলে চরএলাহীর গাংচীলে মোজাম্মেল মেম্বার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তার অপকর্ম খূনলার কুখ্যাত এরশাদ শিকদারকেও হার মানিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন আ’লীগের দক্ষিন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো: বাকের হোসেন ওরফে বাকের সর্দার জানান, মোজাম্মেল মেম্বারের অত্যাচার নির্যাতনের ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরাও আজ অতীষ্ট। তার বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

বাকের সর্দারের বক্তব্যকে তখনই সত্য বলে এ প্রতিবেদকের কাছে প্রতীয়মান হল যখন দেখা গেল, সাধারণ মানুষ তার সম্পর্কে তথ্য দেয়ার পর বাজারের দোকানদারগণ একে একে দোকান বন্ধ করে ভয়ে চলে যাচ্ছে। দোকান বন্ধ করার কারন জিজ্ঞাসা করলে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, আপনারা চলে গেলে মেম্বারের বাহিনী আমাদের উপর হামলা করতে পারে।

ইউনিয়ন যুবলীগের উপ-কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলী মোহন জানান, মোজাম্মেলের অত্যাচার নির্যাতন সীমা অতিক্রম করে গেছে। হেন কাজ নেই যা সে করতে পারেনা। অনতি বিলম্বে তাকে আইনের আওতায় এনে এলাকাকে সন্ত্রাস মুক্ত করার জন্য তিনি মন্ত্রী মহোদয় ও বসুরহাট পৌর মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। অন্যথায় আগামী সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মাঝে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

এদিকে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে মোজাম্মেল মেম্বারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এসকল অভিযোগ সত্য নয় বলে তিনি জানান। তবে তার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে বলে স্বীকার করেন।

বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের সাথে আলাপ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

ফেনী ফাজিলপুরে লেঙ্গা রুহুল আমিন ইয়াবাসহ আটক

ফেনী ফাজিলপুরে লেঙ্গা রুহুল আমিন ইয়াবাসহ আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর থেকে রুহুল আমিন প্রকাশ লেঙ্গা রুইল্লাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকালে ফাজিলপুর রেল ক্রসিং থেকে তাকে আটক করা হয়।

বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুল হক রিপনের নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা পাহারা বসায়।

এসময় সিএনজি অটোরিক্্রা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রেল ক্রসিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তার দেহ তল্লাশী করে ১শ ২পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন ও এস.আই বাবুল মিয়া ইউপি কার্যালয়ে পৌঁছলে রুহুল আমিন প্রকাশ লেংঙ্গা রুইল্লাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

রুহুল আমিন প্রকাশ লেঙ্গা রুইল্লার নামে আগেও মাদকের মামলা রয়েছে। আটক রুহুল আমিন ফাজিলপুর ইউনিয়নের আলী নগর গ্রামের মান হানিফ ব্যাপারী বাড়ির মৃত. করিমুল হকের ছেলে।

বুড়িগঙ্গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ৯ দিনের মাথায় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বদলি

বুড়িগঙ্গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ৯ দিনের মাথায় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বদলি

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানের ৯ দিনের মাথায় অভিযান পরিচালনা কারি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর এম মোজাম্মেল হককে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন প্রেষণ-১ অধিশাখা উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বদলির আদেশ জারি হয়।তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন কমডোর এম মাহাবুব উল ইসলাম।
জানা যায়, নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের সব নদী ও খাল রক্ষায় এই ক্রাশ প্রোগ্রাম চলবে। উচ্ছেদের পর ফের দখল ঠেকাতে নদীর তীরে বনায়নের একটি প্রকল্পও হাতে নেয়া হয়েছে।
আর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হবে। তিনি বলেন, যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন; এবারের কর্মসূচিতে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।

প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অভিযান চলে। এ সময় ২টি ৭ তলা, ২টি ৫ তলা, ৩টি দুই তলা, ৪টি একতলা পাকা ভবনসহ ১৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাংবাদিক বলেন, “ভবনটি অবৈধভাবে উঠানো হয়েছিল। ভবনটির মালিক পক্ষের মোশাররফ হোসেন কাজল ভাঙার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কোনো ভ্যালিড কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।”
দ্বিতীয় দিনে ভাঙা পড়ে বুড়িগঙ্গার তীর দখল করে গড়ে ওঠা দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজলের শ্বশুরের অবৈধ বাড়ি। ওই বাড়িটি রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে বিফল হন কাজল।

তবে কাজলের দাবি, “এটি ১৯৬১ সালে কেনা। এটা অবৈধ না, সব ধরনের দলিলপত্র আছে। কোনো ধরনের নোটিস ছাড়া এবং কাগজপত্র না দেখেই এটা ভেঙে ফেলে।।”
বিআইডব্লিউটিএ’র পদক্ষেপকে ‘বড় ধরনের অত্যাচার’ আখ্যায়িত করেন দুদকের আইনজীবী কাজল।
তিনি বলেন, “নদী তীরের সীমানা নির্ধারণ না করেই এটা করা হয়েছে। একটা বেকুব ম্যাজিস্ট্রেট কাজটা করেছে।”

বাড়ি ভাঙার বিষয়ে ক্ষতিপূরণের মামলা করবেন বলেও জানান আইনজীবী কাজল

রায়পুরে সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বাসাবাড়ী থেকে হায়দরগঞ্জ বাজার পর্যন্ত সড়কের মাঝখানে পল্লীবিদ্যুতের ৩টি খুঁটি। এ যেনো দেখার কেউ নেই।

উপজেলার এই সড়কে প্রতিনিয়ত শত শত যানবাহন চলাচল করলেও এ সমস্যা সমাধানের নেই কারও কোনও উদ্যোগ। তাছাড়া এ সমস্যা সমাধান করতে পারেন, এমন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারও কোনও মাথা ব্যথা নেই।

এই সড়কে দীর্ঘদিন ধরে পল্লীবিদ্যুতের এ খুঁটিগুলো সড়কের মাঝখানের জায়গাটুকু দখল করে আছে। তাছাড়া পল্লীবিদ্যুতের খুঁটিগুলোতে সড়ক বাতি না থাকায় রাতের বেলায় যে-কোনও বড় ধরনের ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে জোর দাবি জানিয়েছেন, জনসাধারণের চলাচলের জন্য এবং জীবন রক্ষার্থে অতি দ্রুত পল্লীবিদ্যুতের এই তিনটি খুঁটি সড়কের মাঝখান থেকে অপসারণ করে অন্যএে সরিয়ে নেওয়ার জন্য।

মহাসড়ক থেকে সরল মরণঘাতি বৈদ্যুতিক খুঁটি

সময়টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের। এ মাধ্যমের কল্যাণে যেমন হচ্ছে অনেক প্রতারণা তেমনই সামাজিক সব উপকারে আসছে এই মাধ্যমটি।

বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের সুবাদে বহু অন্যায়কে রুখে দেয়া যাচ্ছে, অপরাধী সনাক্ত করে বিচারে সহযোগিতা করছে এই ফেসবুক।

বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে।

তেমনি ফেসবুকে সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন নামের এক আইনজীবীর একটি লাইভ ভিডিওর সুবাদে এবার নড়েচড়ে বসলো নরসিংদী পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ।

যে কাজ স্থানীয়দের গত তিন বছরের অনুরোধেও হয়নি তা ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হকের লাইভ ভিডিওর পর ১২ ঘন্টার মধ্যেই হয়ে গেল।

নরসিংদীর শিবপুর থানার কালারচর নামক জায়াগার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল পল্লীবিদ্যুতের একটি খুঁটি।

ব্যস্ততম এই মহাসড়কে রাতের আঁধারে আর কুয়াশায় দ্রুতগামী গাড়িচালকেরা এই খুঁটিটি দেখতে পেতেন না।

ফলে গত কয়েকবছরে এখানে ঘটেছে অনেক দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হবার খবরও পাওয়া গেছে। তবুও রাস্তার ওপর বসানো এই খুঁটিটি কোন খুঁটির জোরে সরছিল না তা বোধগ্ম্য ছিল না স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের তিন বছরের অনুরোধেও যে কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি তাই ওই ভাইরাল ভিডিও কারণে হয়ে গেল।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে খুঁটিটির কাছে দাঁড়িয়ে এটি সরানো দাবি জানিয়ে নিয়ে একটি সচেতনতামূলক ভিডিও পোস্ট করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। ভিডিওটি এক রাতেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। এটি ইতিমধ্যে দেখা হয়েছে ১৭ লাখ বারের বেশি।

এরপর রোববার দুপুরে ওই খুঁটিটি সরিয়ে নিয়ে মহাসড়ক থেকে ৫ ফুট দূরে স্থানান্তর করে পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি জেনে রোববার বিকেল সাড়ে ৫ টায় পর আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সড়ক থেকে খুঁটিটি সরিয়ে ফেলার ভিডিও তার ফেসবুক পেজে আপলোড করেন।

আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের সামাজিজ সচেতনতামূলক ফেসবুক লাইভ ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

চেম্বার ছাড়া ঔষধ লেখে না ডাঃ সালাউদ্দীন

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার সালাউদ্দীনের টাকার লোভ দিন দিন আকাশ চুম্বী হয়ে ওঠছে।

সদর হাসপাতালে ডাক্তারের সংকটকে পুঁজি করে রোগীদের রীতিমত জিম্মী করে টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে এযেন টাকা কামানোর মেশিন। সরকারী হাসপাতালে রোগীদের নাম মাত্র চিকিৎসা দিয়ে বাধ্য করে তার প্রাইভেট চেম্বারে আসতে।

দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা গরীব রোগীরা গলা কাটা ফি না দিতে পেরে বাধ্য হয়ে বিনা চিকিৎসায় বাড়ী ফিরে যান।
সদর হাসপাতাল সংলগ্ন দিঘীর পূর্ব পাড়ে নিউ মেডি কমপ্লেক্সে বিকাল ৩ টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ৭০০ টাকা ভিজিটে রোগী দেখেন তিনি।

চিকিৎসার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত পরীক্ষা নীরিক্ষার নামে কমিশন বাণিজ্য চলছে দেদারছে। ঔষধ কোম্পািনির প্রতিনিধিদের পাহারাতো আছেই। টাকা খেয়ে তাদের ঔষধ লিখছে কিনা তার জন্য রীতিমত পাহারা বসিয়েছে তারা। সদর হাসপাতালে রোগী সমস্যার কথা শুনেও সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে নামে মাত্র ঔষধ লিখে বিদায় করেন রোগীদের।

সোমবার ৪ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলাধীন ৬ নং বাংগাখাঁ ইউনিয়নের খুরশিদা বেগম (৫০), পেট ব্যাথা, বদহজম, সহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সদর হাসপাতালে ডাক্তার সালাউদ্দীনর কাছে যান। যাহার রেজি নং ৩৯৮৫ তাং ৪/২/১৯ইং। রোগীর সব সমস্যার কথা শুনেও শুধু মাত্র ইমেপ ২০ মি গ্রাঃ টেবলেট লিখে বিদায় করে দেন। বাধ্য হয়ে তিনি পরের দিন ৭০০ ভিজিট দিয়ে তার প্রাইভেট চেম্বারে গেলে ছয় পদের ঔষধ ও কিছু টেষ্ট ধরিয়ে দেন।

বাইরে এসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন সরকারি হাসপাতালে তিন ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে ডাক্তারের কাছে যাই, সেই খানে যদি চিকিৎসার মান এই হয়, তবে কেন সরকার কুটি টাকা খরছ করে তাদের পিছে?

চিকিৎসার জন্য আশা সালমা জানান যাদের দেখার দায়িত্ব তারা যদি সঠিকভাবে দেখতো এমন হয়তো হতো না। যদি আমাদের দেশের ডাক্তাগণ একটু সেবায় মনোযোগী হতেন। একটু দেশপ্রেমিক হতেন একটু ধার্মিক হতেন। সব কিছুর পাও সুশাসন ছাড়া এসব সমাধান সম্ভব নয়।

এব্যপারে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তফা খালেদ আহম্মদ জানান ডাঃসালাহ্ উদ্দীন কি চিকিৎসা দিয়েছেন তিনি তা জানেন, আমি এব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি নই বলে তিনি ব্যাপারটি এড়িয়ে যান।
বিস্তারিত নিউজ আসছে পত্রিকায়।

মাকে পুড়িয়ে হত্যা: লাশ দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠল ছোট শিশুটি

চট্টগ্রামে গত ২৮ জানুয়ারি স্বামী ওয়াহিদুল হকের যোগসাজশে ভাই মামুনর রশিদ, মোর্শেদ ও মা তফুরা বেগম রুমা আক্তারের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।

তার চিৎকারে এলাকার লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে দ্রুত উদ্ধার করে ঈদগাঁওস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সদর হাসপাতালে পাঠান।

আজ ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রুমা আক্তার।

জানা যায় কেরোসিন ঢেলে রুমা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। গৃহবধূ মারা যাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন স্বামী ও তার স্বজনরা।

মরদেহের সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ রুমা আক্তার (২৬) ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজ পাড়ার মৃত ওবাইদুল হকের ছেলে ওয়াহিদ উল্লাহর স্ত্রী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়ার গিয়াস উদ্দীনের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী।

স্বামীর পক্ষের লোকজন মৃত্যুর পর রুমাকে ঘরে নিয়ে এসে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করছিল। এমন সময়ে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধিকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক ঈদগাঁও পুলিশকে বিষয়টি জানান।

পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শাহাজ উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরহাতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান। পুড়িয়ে দেয়া মায়ের লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় মাকে দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠে পড়ে তার ছোট শিশুটি।

জানুয়ারি মাসেই দেশে ৫২ টি ধর্ষণ, ২২টি গণধর্ষণ এবং ৫টি ধর্ষণের পর হত্যা

চলতি বছর শুধু জানুয়ারি মাসে দেশে ৫২ টি ধর্ষণ, ২২টি গণধর্ষণ এবং ৫টি ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি আরো জানায় ২০১৮ সালে ৯৪২টি ধর্ষণের ঘটনা হয়েছে সারাদেশে।

লিখিত বক্তব্যে মহিলা পরিষদ জানিয়েছে, ২০১৮ সালে ১৮২ জন নারী গণধর্ষণ, ৬৩ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং ৬৯৭ টি ধর্ষণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এসব ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব, সন্ত্রাস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতা কারণে এসব ঘটনায়

অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। এছাড়া, সম্প্রতি ধর্ষণে অভিযুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির গলায় চিরকুট ঝোলানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটির নেতারা বলেন বিচার বহির্ভূত হত্যা কোনভাবেই কাম্য নয়।

অপরাধী যেই হোক বিচার বহি বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

🤔বেকার ছেলেকে কোনোদিন বিয়ে করবে না’- ছাত্রীদের উদ্দেশে ফেনী জেলা প্রশাসক

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- সোমবার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার বাঁলিগাও উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেছেন, বিশেষ অনুরোধ থাকলো তোমরা যাকে বিয়ে করবে সে যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। কোনো বেকার ছেলেকে কোনোদিন বিয়ে করবে না। কিছু না কিছু করতে হবে তাকে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, যিনি এ দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, এ দেশের মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন সেই মহান নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য অবশ্য কর্তব্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের দল মত নির্বিশেষ সবার নেতা। তাকে অসম্মান করা মানে দেশকে অসম্মান করা।

দেশকে ভালোবাসতে না পারলে নিজের সুন্দর আগামী গড়াও সম্ভব না মন্তব্য করে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে সুশিক্ষিত দক্ষ নাগরিক দেশের সম্পদ। আর সে লক্ষ্যেই পড়াশুনা মনোযোগ দিয়ে করা তাদের দায়িত্ব। দক্ষ-শিক্ষিত প্রজন্মই এগিয়ে নেবে দেশকে।

ছেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তুমি প্রতিষ্ঠিত না হয়ে চাকরি-বাকরি না করে কোনো দিন বিয়ে করবে না। তাহলে জীবনে চরম পরাজয় আসবে।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শুসেন চন্দ্র শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, ফেনী স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক দেবময় দেওয়ান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিম উল্লাহ, বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাহার।

শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম। এরপর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তৃষা রাণী নাথ, বিবি জোহরা নিপু, জাহান তানহা ও শারমিন আক্তারের যৌথ সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা, আফতাব বিবির হাট ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল্লাহ, অভিভাবক মো. মোস্তফা, জান্নাতুল ফেরদৌস।

বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন চন্দন কুমার দাস ও বিনতে ইয়াসমিন মিতু। নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জয়ন্তী রাণী শর্মা। অনুষ্ঠানে পরিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

‘যুদ্ধে জড়ালেই নিশ্চিহ্ন হবে ইসরাইল’

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল নতুন কোনো যুদ্ধে জড়ালে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সিরিয়ায় ইরানি অবস্থানে হামলার ইসরাইলি হুমকির প্রতিক্রিয়ায় তিনি সোমবার এ কথা বলেছেন।

সালামি বলেন, ইরান বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে দখলদার ও অবৈধ ইসরাইলকে মুছে ফেলার নীতিতে বিশ্বাস করে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে নানা শয়তানি তৎপরতার মাধ্যমে ইহুদিবাদী ইসরাইল নিশ্চিহ্ন হওয়ার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।

আইআরজিসি’র উপ-প্রধান আরও বলেছেন, ইসরাইল যদি কোনো নতুন যুদ্ধ শুরু করে তাহলে দখলীকৃত সব ভূখণ্ড উদ্ধার করা হবে এবং তখন ইসরাইলিরা নিজেদের লাশ দাফন করার জন্যও কবরস্থান খুঁজে পাবে না।

সম্প্রতি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুমকি দিয়ে বলেছে, ইরান যদি অবিলম্বে সিরিয়া থেকে তার সেনা সরিয়ে না নেয় তাহলে সেখানে ইরানি অবস্থানে হামলা অব্যাহত রাখা হবে।

গত কয়েক বছরে সিরিয়ার ইরানি অবস্থানে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে বাশার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের সরকারের পক্ষে কাজ করছে ইরানি সেনারা। ইসরাইল মনে করে সিরিয়ায় ইরানি সেনাদের অবস্থান তার জন্য হুমকির। এ কারণেই ইসরাইল প্রায়ই ইরানি সেনাদের ইসরাইল ছাড়ার দাবি জানিয়ে আসছে।