
এক প্রবাসী ভাইয়ের আত্ম জীবন কাহিনী :দৃষ্টি আকর্ষন,,,,,
আমি আবদুর রহমান চিস্তী
পিতা,মরহুম আবদুছ সোবাহান (বীর মুক্তি যুদ্ধা )
ফাজিল পুর, ফেনী সদর।
বিয়েও করেছি আরেক বীর মুক্তি যুদ্ধা মরহুম শাহজাহান ফেনী গুদাম কোয়াটার মিদ্ধা বাড়ী এর মেয়ে। ।।
১৬/০৬/১৯৮৯ ইং এ আমরা বিয়ে করি তখন ছিলো প্রেসিডেন্ট এরশাদের আমল, আর আমি ছিলাম ছাত্রলীগ এর কর্মি, টাইগার বাহীনির অত্যাচারে পুরা ফেনী জেলা অতিষ্ট, ততকালিন আমাদের ছাত্রলীগের বন্দুদের বেইচটা ছিলো অনেক বড় এবং মানুষিক ভাবে শক্তিশালি, সবার মধ্যে আমি ছিলাম অনেক গুলি মিথ্যা মামলার ফেরারী আসামি।
আমার বাবা চাকরি করতেন, ঢাকা এয়ার পোর্টে, আবার বড় ভাইজান চাকরি করতেন এয়ার পোর্ট এমিগ্রেশনে হেলর্থ ডিপাটমেন্টে, আমাদের বাসা ছিলো তেজগায়ে। কিন্তু আমি বেশির ভাগ থাকতাম ফেনীতে। আমাদের ব্যাক্তিগত গাড়ী ছিলো দুইটা, একটা গাড়ী আমিই ব্যবহার করতাম, আমার বন্দুর অভাব ছিলোনা, আর পরিবারের সবার অতি আদরের ছোট ভাই, ছোট সন্তান ছিলাম, বিশেষ করে ভাইজানের কাছে আমার আবদারের শেষ ছিলোনা ।
তেজগায়ে সমস্যা হলে ফেনীতে আর ফেনীতে সমস্যা হলে ঢাকাতে। এসবের কারনে বার বার বিদেশ পাঠিয়েছিলো, কিন্তু বিদেশতো বঙ্গবন্দুর শ্লোগান নাই তাই কনো দেশেই থাকতে পারতামনা, ১৯৯৪তে আমি ডুবাই গিয়েছিলা কিছু দিন পর আমার ভাইজান স্ট্রক করে মারা যান, কেন স্ট্রক করেছে যানতে পারলাম, আমাদের সব কিছু বিক্রি ও বন্দক রেখে ভাইজান দেড় কুটি টাকার এমাউন্ট দিয়ে পেলাইং বিজিনিস আরো বড় করবেন, কিন্ত ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সে টাকা পুরোটাই মাইর খাওয়ার কারনে হয়তো ভাইজান স্ট্রোক করেছে।
আমার ভাইজানকে আল্লাহর ভালো লেগেছে তাই আল্লাই নিয়ে গেছেন,। আমি দেশে চলে আসি আর যা সম্পত্তি ছিলো সব মিথ্যা মামলার পিছনে গেছে । ১৯৯৫থেকে শুরু আমাদের স্বামী স্ত্রীর জীবন যুদ্ধ, আমরা এখনো সে যুদ্ধে আছি, ১৯৮৮ থেকে এ পর্যন্ত আমাকে অনেক বার মিথ্যা মামলায় জেলের ভিতরে থাকতে হয়েছে ।
আমি ১৯৮৭তে ফাজিল পুর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের রাজ নীতি শুরু করি, এবং ১৯৯৩তে জেলা ছাত্রলীগের পোষ্টে ছিলাম এর পর ইউনিয়ন,থানা, জেলা যুবলীগের নেতৃত্বে ছিলাম আবার ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলাম। বর্তমানে ইউনিয়ন এবং সদর থানার যুবলীগের সম্মানীত পোষ্টে আছি ।
আমি একটা কথা চেলেন্জ করে বলতে পারবো , আমি জীবনে করো হক নষ্ট করি নাই, জুলুম করিনাই, চাদা বাজি করি নাই, নারী নির্যাতন,চুরি,চিনতাই, ডাকাতি, সালিশ করে টাকা আদায়, অর্থ আত্বসাত করিনাই ।
যদি কেউ বলতে পারেন তাহলে আমি যে কনো প্রকারের সাজা মাথা পেতে নেবো । আর যদি আমাকে সরা সরি বলতে না পারেন, তাহলে আমাদের ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অথবা আমারদের এম,পি মহোদয়ের নিকট বিচার চাইতে পারেন, আমার বিশ্বাষ যত পরান বা নতুন নালিশ করবেন উচিৎ বিচার পাবেন , আর না হয় আমার নাম্বারে ফোন করে বলবেন আমি আপনার সামনে যাবো আপনিই আপনার বিচার করবেন, আল্লাহর কচম খেয়ে বলছি আমি টু শব্ধ করবোনা বরন্চ আপনার কাছে চির রিনি হয়ে থাকবো আপনি যেই হন অসুবিদা নাই ।।
আর আমার জীবনের লক্ষ ছিলো মটর সাইকেল আর কার রেচিং করবো , আমি দুবাইতে অনেক চেষ্টা করেছি রেচিং এ অংশ নেয়ার জন্য কিন্তু দুবাইর স্থানিয় নয় তাই পারিনি, আমাদের দেশেতো সে সুযোগ নাই । এক সময় জয়নাল হাজারীও গাড়ী চাবি আমার হাতে তুলে দিতেন, তা ছাড়া দামি গাড়ীর প্রতি আমার দর্বলতা ছিলো বেশি।
উপজিলা চেয়ারম্যান মরহুম একরামের নতুন প্যরাডো গাড়ীর চাবি প্রথম আমাকে দেন, পরে এম,পি জাহান আরা বেগম সুরমা ম্যাডামের গাড়ীটি কিছু দিন ড্রাইভ করি ।
আসলে ড্রাইভিংটা আমি কখনো পেশা হিসাবে ভাবিনাই, ড্রাভিং ছিলো আমার সব ছেয়ে বড় শখের বিষয় ।
কিন্তু ড্রাভিং এখন আমার পেশাতে পরিনত হয়েছে , আমি জানি এ পেশাটা খুব গুরত্ব পূর্ণ, একজন গাড়ী মালিকের দিত্বীয় স্থান হচ্ছে ড্রাভারের, মালিকের সব দায় দায়িত্ব বহন করতে হয় ড্রাইভারকে। তাছাড়া আমাদের পরিবার ড্রাইভারের সাথে খুব মায়া আন্তরিক ও সম্মানের সাথে ব্যবহার করতেন, আমার ভাইজানতো ড্রাইভার ছাড়া খাওয়ার টেবিলে বসতেননা । আর বর্তমানে দেখি ড্রাইভার অর্থ অবহেলিত পশুর মতো।
যাগ্গে ড্রাভিং ব্যপার।
এ রাজনীতি করে কি পেয়েছি,,,
জামাত,বিএনপি জোট আমার স্ত্রীকে মেরে কিডনি নষ্ট করে পেলেছে, আমার বাড়ী অনেক বার লুট এবং ভাংচুর করেছে। আমার পরিবারর সব দামি জিনিস পত্র ছিলো ঐ কুলাংগাররা একটা লবনের বাটিও রাখে ণাই এলাকার সবাই যানে ৫ বছরে অনেক বার লুট করেছে তাও দিনে, দুপুরে আমার ভাইকে, স্ত্রী সন্তানে অনেক বার শাররিক নির্যাতন করেছে।
চলবে,,,,,