অবাক কান্ড! মাত্র ৯ বছরের শিশু ৬৫ দিনে হাফেজ

৯ বছর হলেও মাত্র ২ মাস ৫ দিনে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ শেষে ‘হাফেজ’ খেতাব অর্জন করে চমক দেখালেন কোটচাঁদপুরের বিস্ময়কর বালক আহমেদ তাইমিয়া।

কোটচাঁদপুর শহরের ইসলামীয়া ক্বওমিয়া ক্বিরাতুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আহমেদ তাইমিয়া হাফেজ শামীম হোসাইনের ছাত্র। মাদ্রাসার মুহ্তামিম মুফতি ইবরাহিম খলিল বলেন, আহমেদ গত দু’বছর আগে তাইমিয়া এখানে হয়ে নার্সারী থেকে লেখাপড়া করছে।

দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠে রমজানের পর কোরআন শরিফের ‘নাজেরা’ পড়া শুরু করে। এরপর কোরআন হাফেজ সবক (মুখস্থ পড়া) দিয়েছে মাত্র ৫০ দিনের মতো। গেল ১৭ জানুয়ারি মাত্র ৬৫ দিনে তার ৩০ পারা কোরআন শরিফ হেফেজ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৮০ দিনে কোরআন মুখস্থ করার রেকর্ড থাকলেও মাত্র ৬৫ দিনে হাফেজ হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। আহমেদ তাইমিয়া যদি নিয়মিত শুধু মুখস্থ করতো, তাহলে ৩০ দিনে ‘হাফেজ’ খেতাব অর্জন করতো।

কারণ এমন দিনও আছে সে এক পারা কোরআন মুখস্থ করেছে। এখন সে যথারীতি সবক শোনাচ্ছে। শিক্ষকরা বলেন, আহমেদ তাইমিয়াকে আমাদের বিস্ময়কর বলে মনে হয়েছে। তার বাবা আসলাম হোসাইন এবং আমাদের প্রত্যাশা সে একদিন দেশের বড় আলেম হয়ে ইসলাম ও দেশের জন্য কাজ করবে। শারীরিক ভাবে দূর্বল আহমেদ তাইমিয়ার জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া চায়।

এক অপুর্ব সুন্দরী নারী এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে বিবাহ

এক অপুর্ব সুন্দরী নারী

এক অপুর্ব সুন্দরী নারী
এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে বিবাহ
করিব। কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে
পাগল।

কৃষক দেরি না করে নারী কে নিয়ে
কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি
আমাদের বিবাহ দাও। কাজী নারীর
চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল।
কাজী বলে আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই
নারীর উপযুক্তই না,আমি বিবাহ করিব।

কৃষক আর কাজীর মধ্য ঝগড়া লেগে গেল। এক
পর্যায় কৃষক আর কাজী বিচার নিয়ে গেল
বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর
চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল। বাদশাহ
বলেন তোরাতো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য
বিবাহ আমি করিব। তখন নারী কে বলা হল
তুমি সিদ্ধান্ত দাও কাকে বিবাহ করিবে?
নারী সিদ্ধান্ত দিল, যে আমাকে দৌড়ে
ধরতে পারবে আমি তাকে বিবাহ করিব।

নারী দৌড় দিল পিছে পিছে কৃষক কাজী ও
বাদশাহ দৌড় দিল। দৌড়াতে দৌড়াতে এক
সময় ছটফট করতে করতে কৃষক মারা গেল। তার
কিছু দূর পর একই অবস্থায় কাজী টাও মারা
গেল। বাদশাহ নারী কে বলেন এখন তো
আমি একা, চল বিবাহ করিব।
তবুও নারী বলে না, আমাকে দৌড়ে ধরতে
হবে।

তখন বাদশাহ বলেন, হে নারী দাড়াও,
বল, আসলে তুমি কে??
নারী বলে আমি হলাম দুনিয়া। আমার মধ্য আছে সুধু চাকচিক্য মোহ আর লোভলালসা। আমার পিছে যে দৌড়াবে সে শুধু এভাবেই মরবে বিনিময়ে কিছুই পাবে না।

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের( দুদক)পরিচালক ফজলুল হক বরখাস্ত

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের( দুদক)পরিচালক ফজলুল হক বরখাস্ত

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক ফজলুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আসামিদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন ও দুর্নীতির অনুসন্ধানের তথ্য ফাঁসের মতো বিভিন্ন অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফজলুল হক দুদকের প্রধান কার্যালয় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কর্মরত ছিলেন।

নওগাঁয় বিলুপ্তপ্রায় ‘নীলগাই’ উদ্ধার

নওগাঁ: নওগাঁর মান্দা উপজেলা থেকে একটি বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নূরুল্যাবাদ ইউনিয়নের জোতবাজার থেকে পশুটি উদ্ধার করা হয়। পশুটি এক নজর দেখতে শতশত মানুষ ভিড় করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জোতবাজার গ্রামের পাশে পশুটি ঘুরাঘুরি করছিল। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক পশুটি ধরে বাজারে বেঁধে রাখে। পরে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয় এবং প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়। আটকের পর থেকে পশুটি লাফালাফি করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, সকালে বাজারের পাশে পশুটি ঘুরাঘুরি করছিল। পরে কয়েকজন যুবক অপরিচিত এ পশুটি আটক করে বেঁধে রাখে। এ পশুটি আমরা ডিসকোভারি চ্যানেলে দেখেছি। যতদূর সম্ভব এটি বনগরু।

নওগাঁ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উত্তম কুমার জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। দলছুট হয়ে ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে পথ ভুলে বাংলাদেশের লোকালয়ে পশুটি চলে এসেছে। এটি বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, পশুটি উদ্ধার করে উপজেলায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লাশ পাচ্ছে, ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না প্রবাসীদের পরিবার

বিভিন্ন দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা প্রাণ হারাচ্ছেন কিন্তু কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করার পর নিহতদের পরিবার ক্ষতিপূরণ প্রায়ই পাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলো যথাযথ ভূমিকা রাখছে না।

প্রবাসে মৃত্যুজনিত কারণে ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় আছে শত শত পরিবার। বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মেনে করছেন অনেকে। গত এক বছরে মালয়েশিয়ায় তিন কোটি ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ২২৫ টাকার ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে দূতাবাস।

তবে সে দেশে বাংলাদেশিরা কর্মরত অবস্থায় বকেয়া, দুর্ঘটনা, মৃত্যু ও ইন্স্যুরেন্সের ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাসের সক্রিয় আইনি সহায়তায় এ ক্ষতিপূরণ আদায় করতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রশাসনিক ধীরগতি ও হয়রানিসহ নানা কারণে বেশিরভাগ শ্রমিকের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

বরিশালের মৃত ফজলু দফাদারের পরিবার তিন বছর অতিবাহিত হলেও ক্ষতিপূরণ পায়নি। অভিযোগ উঠেছে দফায় দফায় প্রবাসীকল্যাণ অফিসে ধরণা দিয়েও ক্ষতিপূরণের টাকা পাচ্ছেন না মৃতের পরিবার।

অভিযোগে জানা গেছে, বরিশাল সদরের চরবুখাই নগর গ্রামের আছমত আলী দফাদারের ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী মৃত ফজলু দফাদার পাসপোর্ট নং (এফ-০৪৭৬৩৬৫) সিলনং-১২, ক্লেইমনং-৯৬/২০/৬,তারিখ: ০৭/১১/২০১৭, তার মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ বাবদ হাইকমিশন থেকে মৃতের স্ত্রী চার কন্যার নামে পাঁচটি ড্রাফট প্রেরণ করা হয়। মৃতের পরিবার ডিইএমও বরিশাল হতে ড্রাফট গ্রহণের পর বরিশালের বিভিন্ন ব্যাংকে ড্রাফটসমূহ জমা দিতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানান, ড্রাফ্টগুলো ভাঙ্গানো যাবে না।

পরবর্তীতে মৃত ফজলু দফাদারের পরিবার ঢাকাস্থ ডাচ-বাংলা ব্যাংক, শান্তিনগর শাখায় জমা প্রদান করতে গেলে ড্রাফটের মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানান। ফলে মৃতের স্ত্রী শাহানূরের নামে একক চেক পাওয়ার জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নিসহ মূল ড্রাফট পাঁচটি ডিইএমওর মাধ্যমে হাইকমিশনে শ্রম কাউন্সিলরে ফেরত পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত দূতাবাস ক্ষতিপূরণের সুরাহা করতে পারেনি বলে এ প্রতিবেদককে মোবাইল ফোনে জানান মৃত ফজলু দফাদারের স্ত্রী শাহানূর।

এ বিষয়ে দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে শ্রম শাখার কর্মকর্তা জানান, ক্ষতিপূরণের চেক সময়মতো তারা ব্যাংকে জমা না করায় এ সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সমাধানের।

দূতাবাস সুত্র জানায়, হাইকমিশনার শহীদুল ইসলামের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ও তার সার্বিক দিকনির্দেশনায় আইনি সহায়তায় দুর্ঘটনা, বকেয়া বেতন, মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ আদায়বাবদ নিয়মিত চেক দূতাবাস থেকে পাঠানো হলেও বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাশিত ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তরে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে চেকটি নগদায়নে সমস্যার সৃষ্টি হয়। চেকটি পুনরায় মালয়েশিয়াতে ফেরত পাঠানো হয় এবং নতুন করে মালয়েশিয়ার শ্রম অফিসের মাধ্যমে পেতে অনেক সময় লাগে। শুধু তাই নয়, সে দেশের শ্রম অফিসের কর্মকর্তারা মনোক্ষুণ্ণ হন।

এ অবস্থায় ক্ষতিপূরণ প্রত্যাশীরা একের পর এক দায়দেনার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।

এ বিষয়ে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর, অতিরিক্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনা, মৃত্যু বা বকেয়া বেতন ও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ ছাড়া যাদের বৈধতা রয়েছে এবং কাগজপত্র সঠিক তারাই ক্ষতিপূরণ পাবেন। আর এই ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাস সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে।

এক প্রবাসী ভাইয়ের আত্ম জীবন কাহিনী

এক প্রবাসী ভাইয়ের আত্ম জীবন কাহিনী :দৃষ্টি আকর্ষন,,,,,

আমি আবদুর রহমান চিস্তী
পিতা,মরহুম আবদুছ সোবাহান (বীর মুক্তি যুদ্ধা )
ফাজিল পুর, ফেনী সদর।

বিয়েও করেছি আরেক বীর মুক্তি যুদ্ধা মরহুম শাহজাহান ফেনী গুদাম কোয়াটার মিদ্ধা বাড়ী এর মেয়ে। ।।
১৬/০৬/১৯৮৯ ইং এ আমরা বিয়ে করি তখন ছিলো প্রেসিডেন্ট এরশাদের আমল, আর আমি ছিলাম ছাত্রলীগ এর কর্মি, টাইগার বাহীনির অত্যাচারে পুরা ফেনী জেলা অতিষ্ট, ততকালিন আমাদের ছাত্রলীগের বন্দুদের বেইচটা ছিলো অনেক বড় এবং মানুষিক ভাবে শক্তিশালি, সবার মধ্যে আমি ছিলাম অনেক গুলি মিথ্যা মামলার ফেরারী আসামি।

আমার বাবা চাকরি করতেন, ঢাকা এয়ার পোর্টে, আবার বড় ভাইজান চাকরি করতেন এয়ার পোর্ট এমিগ্রেশনে হেলর্থ ডিপাটমেন্টে, আমাদের বাসা ছিলো তেজগায়ে। কিন্তু আমি বেশির ভাগ থাকতাম ফেনীতে। আমাদের ব্যাক্তিগত গাড়ী ছিলো দুইটা, একটা গাড়ী আমিই ব্যবহার করতাম, আমার বন্দুর অভাব ছিলোনা, আর পরিবারের সবার অতি আদরের ছোট ভাই, ছোট সন্তান ছিলাম, বিশেষ করে ভাইজানের কাছে আমার আবদারের শেষ ছিলোনা ।

তেজগায়ে সমস্যা হলে ফেনীতে আর ফেনীতে সমস্যা হলে ঢাকাতে। এসবের কারনে বার বার বিদেশ পাঠিয়েছিলো, কিন্তু বিদেশতো বঙ্গবন্দুর শ্লোগান নাই তাই কনো দেশেই থাকতে পারতামনা, ১৯৯৪তে আমি ডুবাই গিয়েছিলা কিছু দিন পর আমার ভাইজান স্ট্রক করে মারা যান, কেন স্ট্রক করেছে যানতে পারলাম, আমাদের সব কিছু বিক্রি ও বন্দক রেখে ভাইজান দেড় কুটি টাকার এমাউন্ট দিয়ে পেলাইং বিজিনিস আরো বড় করবেন, কিন্ত ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সে টাকা পুরোটাই মাইর খাওয়ার কারনে হয়তো ভাইজান স্ট্রোক করেছে।

আমার ভাইজানকে আল্লাহর ভালো লেগেছে তাই আল্লাই নিয়ে গেছেন,। আমি দেশে চলে আসি আর যা সম্পত্তি ছিলো সব মিথ্যা মামলার পিছনে গেছে । ১৯৯৫থেকে শুরু আমাদের স্বামী স্ত্রীর জীবন যুদ্ধ, আমরা এখনো সে যুদ্ধে আছি, ১৯৮৮ থেকে এ পর্যন্ত আমাকে অনেক বার মিথ্যা মামলায় জেলের ভিতরে থাকতে হয়েছে ।

আমি ১৯৮৭তে ফাজিল পুর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের রাজ নীতি শুরু করি, এবং ১৯৯৩তে জেলা ছাত্রলীগের পোষ্টে ছিলাম এর পর ইউনিয়ন,থানা, জেলা যুবলীগের নেতৃত্বে ছিলাম আবার ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলাম। বর্তমানে ইউনিয়ন এবং সদর থানার যুবলীগের সম্মানীত পোষ্টে আছি ।

আমি একটা কথা চেলেন্জ করে বলতে পারবো , আমি জীবনে করো হক নষ্ট করি নাই, জুলুম করিনাই, চাদা বাজি করি নাই, নারী নির্যাতন,চুরি,চিনতাই, ডাকাতি, সালিশ করে টাকা আদায়, অর্থ আত্বসাত করিনাই ।
যদি কেউ বলতে পারেন তাহলে আমি যে কনো প্রকারের সাজা মাথা পেতে নেবো । আর যদি আমাকে সরা সরি বলতে না পারেন, তাহলে আমাদের ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অথবা আমারদের এম,পি মহোদয়ের নিকট বিচার চাইতে পারেন, আমার বিশ্বাষ যত পরান বা নতুন নালিশ করবেন উচিৎ বিচার পাবেন , আর না হয় আমার নাম্বারে ফোন করে বলবেন আমি আপনার সামনে যাবো আপনিই আপনার বিচার করবেন, আল্লাহর কচম খেয়ে বলছি আমি টু শব্ধ করবোনা বরন্চ আপনার কাছে চির রিনি হয়ে থাকবো আপনি যেই হন অসুবিদা নাই ।।

আর আমার জীবনের লক্ষ ছিলো মটর সাইকেল আর কার রেচিং করবো , আমি দুবাইতে অনেক চেষ্টা করেছি রেচিং এ অংশ নেয়ার জন্য কিন্তু দুবাইর স্থানিয় নয় তাই পারিনি, আমাদের দেশেতো সে সুযোগ নাই । এক সময় জয়নাল হাজারীও গাড়ী চাবি আমার হাতে তুলে দিতেন, তা ছাড়া দামি গাড়ীর প্রতি আমার দর্বলতা ছিলো বেশি।
উপজিলা চেয়ারম্যান মরহুম একরামের নতুন প্যরাডো গাড়ীর চাবি প্রথম আমাকে দেন, পরে এম,পি জাহান আরা বেগম সুরমা ম্যাডামের গাড়ীটি কিছু দিন ড্রাইভ করি ।

আসলে ড্রাইভিংটা আমি কখনো পেশা হিসাবে ভাবিনাই, ড্রাভিং ছিলো আমার সব ছেয়ে বড় শখের বিষয় ।
কিন্তু ড্রাভিং এখন আমার পেশাতে পরিনত হয়েছে , আমি জানি এ পেশাটা খুব গুরত্ব পূর্ণ, একজন গাড়ী মালিকের দিত্বীয় স্থান হচ্ছে ড্রাভারের, মালিকের সব দায় দায়িত্ব বহন করতে হয় ড্রাইভারকে। তাছাড়া আমাদের পরিবার ড্রাইভারের সাথে খুব মায়া আন্তরিক ও সম্মানের সাথে ব্যবহার করতেন, আমার ভাইজানতো ড্রাইভার ছাড়া খাওয়ার টেবিলে বসতেননা । আর বর্তমানে দেখি ড্রাইভার অর্থ অবহেলিত পশুর মতো।
যাগ্গে ড্রাভিং ব্যপার।

এ রাজনীতি করে কি পেয়েছি,,,
জামাত,বিএনপি জোট আমার স্ত্রীকে মেরে কিডনি নষ্ট করে পেলেছে, আমার বাড়ী অনেক বার লুট এবং ভাংচুর করেছে। আমার পরিবারর সব দামি জিনিস পত্র ছিলো ঐ কুলাংগাররা একটা লবনের বাটিও রাখে ণাই এলাকার সবাই যানে ৫ বছরে অনেক বার লুট করেছে তাও দিনে, দুপুরে আমার ভাইকে, স্ত্রী সন্তানে অনেক বার শাররিক নির্যাতন করেছে।
চলবে,,,,,

স্ত্রীর পরকীয়া দেখতে এসে বোরকা পরা স্বামী আটক

পরীক্ষাকেন্দ্রে স্ত্রীর পরকিয়ার খোঁজ নিয়ে এসে বোরকা পড়া অবস্থায় ছদ্মবেশী স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আনন্দ মোহন সরকারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় শহরজুড়ে হইচই পড়ে গেছে।

পুলিশ জানায়, আনন্দ মোহন সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মাস্টার্স মৌখিক পরীক্ষা চলাকালীন বোরকা পড়া অবস্থায় ছদ্মবেশে স্ত্রী জুলেখা খাতুনের (২৫) খোঁজ নিতে আসে স্বামী মাহমুদুল হাসান (২৮)। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় উচ্চ মাধ্যমিক ভবনে এইচএসসি শিক্ষার্থীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে বোরকা ওই ব্যক্তি ঢুকে পড়লে কলেজ কর্মচারীদের সন্দেহ হয় এবং তাকে আটক করেন।

এসময় মাহমুদুল হাসান জানায়, সাত বছর প্রেম করে জুলেখা খাতুনকে বিয়ে করেন তিনি। স্ত্রী মোবাইল ফোনে অন্যের সাথে কথা বলায় সন্দেহ হয় তার। এজন্য সোমবার স্ত্রী জুলেখার মাস্টার্সের মৌখিক পরীক্ষা দিতে একসাথে ট্রেনে জামালপুর থেকে ময়মনসিংহে আসেন। স্ত্রীকে আনন্দমোহন কলেজের গেটে দিয়ে যান তিনি। পরে স্ত্রীর পরকীয়ার খোঁজ নেয়ার জন্য বোরকা পড়ে ছদ্মবেশে স্ত্রীর পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ভুল করে উচ্চ মাধ্যমিক ভবনে এইচএসসি শিক্ষার্থীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে পড়েন। সেখানে তার চলাচলে কলেজ কর্মচারীদের সন্দেহ হয়। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ বোরকা পরিহিত মাহমুদল হাসানকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেন।

আনন্দ মোহন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আফসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় উচ্চ মাধ্যমিক ভবনে এইচএসসি শিক্ষার্থীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে বোরখা পড়া ওই ব্যক্তিকে কলেজ কর্মচারীরা আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মাহমুদুল হাসান জানায় তার স্ত্রী জুলেখা খাতুন মাস্টার্সে ইসলামী শিক্ষায় অধ্যয়নরত এবং মৌখিক পরীক্ষা দিচ্ছেন। এব্যাপারে জুলেখাকে জিজ্ঞেসা করা হলে মাহমুদুল হাসান তার স্বামী নয় বলে জানায়। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ দুই জনকেই ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেন। আটক মাহমুদুল হাসানের বাড়ি শেরপুর জেলায়। তিনি জামালপুরের আইবিএ কলেজের করণিক পদে চাকরি করেন।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল জানান, মাহমুদুল হাসান তার স্ত্রীকে সন্দেহ করে বোরখা পরে ছদ্মবেশে কলেজে প্রবেশের কথা স্বীকার করেছে। জুলেখা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে ঘটনার সত্যতা জানা যাবে বলেও তিনি জানান।

‘সিরিয়ার অভ্যন্তরে ইরানি লক্ষ্যে’ হামলা করছে ইসরায়েল

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে তারা সিরিয়ার ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা শুরু করেছে।

ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) জানিয়েছে তারা কুদস বাহিনী – যারা ইরানিয়ান রেভুলশনারি গার্ডের এলিট ফোর্স – তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত না জানা গেলেও সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে সোমবার সকালে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

সিরিয়ার গণমাধ্যম বলছে ‘একটি ইসরায়েলি বিমান আক্রমণ’ প্রতিহত করেছে সিরিয়া প্রতিরক্ষা বাহিনী।

রোববার আইডিএফ জানিয়েছে গোলান হাইটসের ওপর একটি রকেটের পথরোধ করেছে তারা।

এই অভিযান সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

সোমবার সকালে এক টুইটের মাধ্যমে এই অভিযানের খবর প্রকাশ করে আইডিএফ।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায় ইসরায়েলি রকেট ‘রাজধানী দামেস্কের নিকটবর্তী’ স্থানে আক্রমণ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা দামেস্কে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানান।

তবে এই আক্রমণের ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

নেতানিয়াহু’র সতর্কবার্তা

ইসরায়েলিদের ভাষ্য অনুযায়ী ‘গোলান হাইটসের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা করা হলে তা প্রতিহত করে আয়রন ডোম এরিয়াল ডিফেন্স সিস্টেম’; আর এর পরেই সিরিয়ায় অভিযান শুরু হয়।

গোলান হাইটসের জনপ্রিয় শীতকালীন পর্যটন কেন্দ্র মাউন্ট হেরমন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এর কারণে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার চাদ সফরের সময় একটি সতর্কবার্তা জারি করেন; তিনি বলেন, “আমাদের একটি নির্দিষ্ট নীতি রয়েছে, সেটি হলো সিরিয়ায় ইরানি স্থাপনায় আঘাত করা এবং যারা আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে তাদের ক্ষতি করা।”

সিরিয়ার অভ্যন্তরে আক্রমণ চালানোর বিষয়টি কদাচিৎ স্বীকার করে ইসরায়েল।

তবে ২০১৮ সালের মে মাসে সিরিয়ার অভ্যন্তরের প্রায় সবকটি সেনাঘাঁটিতে আঘাত করার দাবি করেছিল ইসরায়েল।

ভয় আর আতংক দিয়েই মানুষকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

ভয় আর আতংকই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকট; এমন অভিমত দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেস। গুতেরেস জানিয়েছে, জাতিসংঘকে এমন একটি প্লাটফর্মে তিনি পরিনত করতে চান যা ভঙ্গুর এই পৃথিবীর ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্কগুলোকে আবার জোড়া লাগাতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল বিক্রিত পন্য হলো ভয়। আপনি ভয় দেখিয়েই বিভিন্ন জরিপ ও রেটিংয়ে ভালো স্কোর লাভ করেন, ভয় দেখিয়েই নির্বাচনে ভোট নেন আবার বিজয়ীও হন। ভয় দিয়েই সবাই বিশেষ করে সরকারগুলো নিজেদের মত করে সবকিছুকে আদায় করে নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে গুতেরেস এসব কথা বলেন। একই সংবাদ সম্মেলনে, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অবাধ হয়নি। তিনি আরো বলেন, যে যত কথাই বলুক, নির্বাচনটি সুষ্ঠু হয়নি, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর তাই বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি খোলামেলা সংলাপ বা আলোচনার কোন বিকল্প নেই। এটা করা সম্ভব না হলে দেশটি সংকটে পড়ে যেতে পারে।

গুতেরেস বলেন, সরকারগুলো এখন জনগণকে ভয় দেখায়। এতে সংকট বাড়ছে। সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে উল্টো কৌশল নিতে হবে। তাদেরকে দেখাতে হবে যে তারা আসলেই জনগণের ভাল করতে চায়। মানুষ যেসব কারনে ভয় পাচ্ছে সেগুলোকে কাটানোর জন্য সরকারকে জনগণের সাথে কথা বলতে হবে, জনগণের মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে। আর সরকারের যেসব কৌশল আমজনতার মনে ভয়ের বীজ ঢুকিয়ে দিচ্ছে সেগুলো থেকে সরকারকেও আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, দেশগুলোর মধ্যকার আভ্যন্তরীন বিভেদ ও বিভাজন বাড়ছে আবার বিভিন্ন দেশ ও দেশগুলোর সরকারগুলোর মধ্যেও দুরত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রায়শই আমরা রাজনীতি ও কুটনীতিতে এমন কিছু উত্তেজন উপাদানের প্রয়োগ দেখতে পাচ্ছি যা সমস্যাকে আরো জটিল করে তুলছে। প্রতিপক্ষকে নোংরা ও ঘৃনাপূর্ণ গালি দেয়া হচ্ছে। সাধারন রাজনৈতিক বিতর্কগুলোতেও বিষাক্ত উপাদানগুলো ক্রমশই প্রবেশ করে যাচ্ছে। এই সব বাস্তবতা আমাদেরকে ১৯৩০ সালের সহিংস প্রেক্ষপট এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পরিস্থিতি স্মরন করিয়ে দেয়।

প্রতিপক্ষকে গালি দিয়ে আর ঘৃন্য অপরাধ করে তাদেরকে দমিয়ে রাখলে মানবাধিকার বিনষ্ট হয়, উন্নয়ন ব্যহত হয়, শান্তি ও নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয়। তাই শুধু যুদ্ধ থামাতে জাতিসংঘ যে কাজগুলো করছে, বর্তমানে তা আর যথেষ্ট নয়। বরং ঘৃনা ও বিদ্বেষপূর্ন বক্তব্য রহিত করার জন্যেও তিনি জাতিসংঘের নতুন কর্মকৌশল প্রনয়নের কথা জানান।

ফেনীর লালপুলে ঝুঁকিপূর্ণ ক্রসিং, বাড়ছে মৃত্যু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনী অত্যন্ত আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা। মহাসড়কের ২৬ কিলোমিটার ফেনী সড়ক বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।

বর্তমানে ওয়ানওয়ে হবার পর এ সড়কের গুরুত্ব যেমন বেড়েছে তেমন বেড়েছে গাড়ির পরিমাণ আর গতিও। এ মহাসড়কের ফেনীর লালপুলে ফেনী-সোনাগাজী ক্রসিং রয়েছে। এ ক্রসিং পার হতে ফেনী থেকে সোনাগাজীগামী ছোট বাস, ইমা, উপকূল আর সিএনজি অটোরিক্সাগুলো সীমাহীন বিপাকে পড়ে।

অনেক সময় মহাসড়কে যানজট কিংবা যানবাহন আধিক্যের কারণে এপার থেকে ওপারে যেতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। শহরের মহিপাল থেকে প্রতিদিন সোনাগাজীর উদ্দেশ্যে প্রায় পঞ্চাশটির মতো বাস চলাচল করে। এছাড়া ইমা, উপকূল আর সিএনজি মিলিয়ে প্রায় ৭ হাজার আর মালবাহী প্রায় ১ হাজার গাড়ি প্রতিদিন মহাসড়ক অতিক্রম করে সোনাগাজী উপজেলার দিকে প্রবেশ করে। সদরের ৬টি ইউনিয়ন ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন আর একটি পৌরসভার যানবাহনের একমাত্র ভরসা এ মহাসড়ক।

মহাসড়কের এ অংশে বর্তমানে গাড়ির গতি সবচে‘ বেশি। মহিপালের ফ্লাইওভার অতিক্রম করার পর দূরপাল্লার গাড়িগুলো গতি আরো বাড়িয়ে দেয়। ফলে লালপোল ওভারপাসে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। গত কিছুদিন পূর্বে ২ মটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয় দ্রুতগতির শ্যামলী পরিবহন। এসময় ২ জন ঘটনাস্থলে মারা যায়। এর আগে একই পরিবহনের বাসের নিচে চাপা পড়ে মারা যায় এক ট্রলি চালক। গত ৫ বছরে ছোট বড় বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এ এলাকায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত শতাধিক মানুষ।

মহাসড়ক সম্প্রসারণের পর এ মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে চলেছে। পূর্বে গাড়ি কম থাকায় আর গতি কম থাকায় বিষয়টি তেমন আলোচনায় ছিল না। বর্তমানে সোনাগাজী থেকে ফেনী, ঢাকা বা চট্টগ্রাম যেতে হলে লালপোলের মহাসড়ক পার হওয়া ছাড়া উপায় নেই। আবার এসব গাড়ি সোনাগাজীতে যেতে হলেও মহাসড়ক পার হওয়া ছাড়া বিকল্প ব্যবস্থা নেই। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা আর প্রাণহানি। সোনাগাজী রোডের সিএনজি চালক আবু তাহের, ফজলু মিয়া ও আবদুল করিম জানান, মহাসড়কের ঐ পাশে কোন সিএনজি ফিলিং স্টেশন নেই। ফলে বাধ্য হয়ে গ্যাসের জন্য হলেও অন্তত দিনে ২ বার মহাসড়ক পার হতে হয়।

এ এলাকায় একটি ওভারপাসের দাবী করে আসছে ফেনী, সোনাগাজী ও মহাসড়কের ২ পাশে বসবাসরত হাজার হাজার জনগণ। বর্তমানে সে দাবী আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় লালপোলে ফেনী-সোনগাজী ওভারপাস নির্মাণের বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এ ওভারপাস নির্মিত হলে নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে মহাসড়ক পার হতে পারবে যানবাহন।

এ বিষয়ে জানতে ফেনী জেলা আ‘লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফেনীবাসী এ সংক্রান্ত একটি আবেদন করে যাচ্ছে। ফলে সরকার নীতিগতভাবে ফেনী-সোনাগাজী ওভারপাস নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব ফেনী জেলা প্রশাসককে নিশ্চিত করেছেন।

ফেনী সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন জানান, আপাতত মহাসড়ক পারাপার নিরাপদ করতে বর্তমান ইউটার্ণের ১শ মিটার উত্তরে ঢাকার দিকে আরেকটি ইউটার্ণ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি পরিদর্শন করে গেছেন। ডিজাইন চুড়ান্ত হলে কাজ শুরু হবে।
সম্পাদনা: আরএইচ/এএইচআর